হাউযে কাউছারের বিবরণ | শরিফ গাজী অফিসিয়াল

হাউযে কাউছারের বিবরণ

>>> হাউযে কাউছারের বিবরণঃ <<<

বিভিন্ন হাদীসে কাউছার ঝর্ণাধারার কথা বর্ণিত হয়েছে; হাউযের অস্তিত্ব ও বাস্তবতা অনেক সহীহ হাদীস দ্বারা প্রমাণিত হয়েছে। কোন কোন অভিজ্ঞ আলেম উল্লেখ করেছেন যে, এ হাদীসগুলো মুতাওয়াতির।

নবী করীম (ﷺ) থেকে ত্ৰিশ জনের বেশী সাহাবী এ সমস্ত হাদীস বর্ণনা করেছেন। আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন;

بَيْنَا رَسُولُ اللَّهِ )ﷺ( ذَاتَ يَوْمٍ بَيْنَ أَظْهُرِنَا إِذْ أَغْفَى إِغْفَاءَةً ثُمَّ رَفَعَ رَأْسَهُ مُتَبَسِّمًا فَقُلْنَا مَا أَضْحَكَكَ يَا رَسُولَ اللَّهِ قَالَ ‏"‏ أُنْزِلَتْ عَلَىَّ آنِفًا سُورَةٌ ‏"‏ ‏.‏فَقَرَأَ ‏"‏ بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ ‏{إِنَّا أَعْطَيْنَاكَ الْكَوْثَرَ *فَصَلِّ لِرَبِّكَ وَانْحَرْ* إِنَّ شَانِئَكَ هُوَ الأَبْتَرُ‏}‏ ثُمَّ قَالَ ‏أَتَدْرُونَ مَا الْكَوْثَرُ فَقُلْنَا اللَّهُ وَرَسُولُهُ أَعْلَمُ ‏.‏ قَالَ ‏"‏فَإِنَّهُ نَهْرٌ وَعَدَنِيهِ رَبِّي عَزَّ وَجَلَّ عَلَيْهِ خَيْرٌ كَثِيرٌ هُوَ حَوْضٌ تَرِدُ عَلَيْهِ أُمَّتِي يَوْمَ الْقِيَامَةِ آنِيَتُهُ عَدَدُ النُّجُومِ فَيُخْتَلَجُ الْعَبْدُ مِنْهُمْ فَأَقُولُ رَبِّ إِنَّهُ مِنْ أُمَّتِي َيَقُولُ مَا تَدْرِي مَا أَحْدَثَتْ بَعْدَكَ

একদিন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) মসজিদে আমাদের সামনে উপস্থিত ছিলেন। হঠাৎ তারমধ্যে তন্দ্রা অথবা এক প্রকার অচেতনতার ভাব দেখা দিল। অতঃপর তিনি হাসিমুখে মাথা উঠালেন। আমরা জিজ্ঞেস করলাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ্ আপনার হাসির কারণ কি? তিনি বললেন, এই মুহূর্তে আমার নিকট একটি সূরা নাযিল হয়েছে।

অতঃপর তিনি সূরা আল-কাউছার পাঠ করলেন {রহমান, রহীম আল্লাহর নামে৷ নিশ্চয় আমি আপনাকে কাউছার দান করেছি। কাজেই আপনি আপনার রবের উদ্দেশ্যে সালাত আদায় করুন এবং কুরবানী করুন। নিশ্চয় আপনার প্রতি বিদ্বেষ পোষণকারীই তো নির্বংশ।} অতঃপর তিনি (ﷺ) বললেন, তোমরা জান, কাউছার কি? আমরা বললাম, আল্লাহ্ তা'আলা ও তার রাসূলই ভাল জানেন।

তিনি বললেন, এটা জান্নাতের একটি নহর। আমার রব আমাকে এটা দেবেন বলে ওয়াদা করেছেন। এতে অজস্র কল্যাণ আছে এবং এই হাউযে কেয়ামতের দিন আমার উম্মত পানি পান করতে যাবে। এর পানি পান করার পাত্ৰ সংখ্যা আকাশের তারকার ন্যায় অগণিত হবে। তখন কতক লোককে ফেরেশতাগণ হাউয থেকে তাড়িয়ে দিবেন। আমি বলব, হে রব! তারা তো আমার উম্মত। আল্লাহ তা'আলা বলবেন, আপনি জানেন না, আপনার পরে তারা নতুন মত ও পথ অবলম্বন করেছিল।” (আল-কাউছার, ১০৮/১, সহীহ মুসলিম  ৭৮০)
.
অন্য হাদীসে এসেছে, আনাস ইবনু মালিক রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে নবী (ﷺ) হতে বর্ণিত। তিনি (ﷺ) বলেছেন;

بَيْنَمَا أَنَا أَسِيرُ فِي الْجَنَّةِ إِذَا أَنَا بِنَهَرٍ حَافَتَاهُ قِبَابُ الدُّرِّ الْمُجَوَّفِ قُلْتُ مَا هَذَا يَا جِبْرِيلُ قَالَ هَذَا الْكَوْثَرُ الَّذِي أَعْطَاكَ رَبُّكَ فَإِذَا طِينُهُ أَوْ طِيبُهُ مِسْكٌ أَذْفَرُ شَكَّ هُدْبَةُ

আমি জান্নাতে ভ্রমণ করছিলাম, এমন সময় এক প্রস্রবনের কাছে এলে দেখি যে তার দুই তীর ছিল মুক্তার খালি গম্বুজে পরিপূর্ণ। আমি বললাম, হে জিব্রীল! এটা কী? তিনি বললেন, এটাই কাউছার, যা আপনার প্রতিপালক আপনাকে দান করেছেন। তার ঘ্রাণে অথবা মাটিতে ছিল উত্তম মানের মিস্‌ক এর সুগন্ধি।  (সহীহুল বুখারী ৬৫৮১)
.
কাউছার ও হাউয একই বস্তু নয়। হাউযের অবস্থান হাশরের মাঠে, যার পানি কাউছার থেকে সরবরাহ করা হবে। আর কাউছারের অবস্থান হলো জান্নাতে। আবূ যার গিফারী রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত। তিনি বলেন;
قُلْتُ يَا رَسُولَ اللَّهِ مَا آنِيَةُ الْحَوْضِ قَالَ‏ وَالَّذِي نَفْسُ مُحَمَّدٍ بِيَدِهِ لآنِيَتُهُ أَكْثَرُ مِنْ عَدَدِ نُجُومِ السَّمَاءِ وَكَوَاكِبِهَا أَلاَ فِي اللَّيْلَةِ الْمُظْلِمَةِ الْمُصْحِيَةِ آنِيَةُ الْجَنَّةِ مَنْ شَرِبَ مِنْهَا لَمْ يَظْمَأْ آخِرَ مَا عَلَيْهِ يَشْخُبُ فِيهِ مِيزَابَانِ مِنَ الْجَنَّةِ مَنْ شَرِبَ مِنْهُ لَمْ يَظْمَأْ عَرْضُهُ مِثْلُ طُولِهِ مَا بَيْنَ عَمَّانَ إِلَى أَيْلَةَ مَاؤُهُ أَشَدُّ بَيَاضًا مِنَ اللَّبَنِ وَأَحْلَى مِنَ الْعَسَلِ
আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কে প্রশ্ন করেছি, হে আল্লাহর রসূল! হাউযের পাত্র কত হবে? তিনি বললেন, যার হাতে আমার প্রাণ তার শপথ! সে হাউযের পাত্র মেঘবিহীন আঁধার রাতের আকাশের নক্ষত্র ও তারকারাজির চাইতেও অগণিত। সেসব পাত্র জান্নাতেরই পাত্র। যে ব্যক্তি ঐ পাত্র হতে পান করবে শেষ পর্যন্ত আর তৃষ্ণার্ত হবে না। ঐ হাউযের মধ্যে জান্নাত থেকে দুটি খাল কেটে এনে তাতে ফেলা হবে এবং এর সাহায্যে সেখান থেকে তাতে পানি সরবরাহ হবে। যে লোক ঐ হাউয হতে পান করবে সে আর তৃষ্ণার্ত হবে না, সে হাউযের দৈর্ঘ্য ও প্রস্থ একই সমান হবে। সে হাউযের প্রশস্থতা (সিরিয়ার) আম্মান থেকে আইলা (বায়তুল মুকাদ্দাস) মাঝামাঝি ব্যবধানের সমতুল্য। তার পানি দুধের চেয়েও সাদা এবং মধুর চেয়েও বেশি মিষ্ট। (সহীহ মুসলিম ৫৮৮৩, তিরমিযী ২৪৪৫)
.
জাবির ইবনু সামুরাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু এর সূত্রে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেছেন,
أَلاَ إِنِّي فَرَطٌ لَكُمْ عَلَى الْحَوْضِ وَإِنَّ بُعْدَ مَا بَيْنَ طَرَفَيْهِ كَمَا بَيْنَ صَنْعَاءَ وَأَيْلَةَ كَأَنَّ الأَبَارِيقَ فِيهِ النُّجُومُ
আমি তোমাদের আগে হাউযের নিকট পৌঁছব। তার দু'পাশের দূরত্ব ইয়ামানের সান’আ ও আইলা (বায়তুল মুকাদ্দাস) ব্যবধানের সমান। তার পাত্রগুলো যেন তারকার ন্যায় অগণিত।  (সহীহ মুসলিম ৫৮৯৬)
.
আবদুল্লাহ্ ইবনু আমর রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী (ﷺ) বলেছেন;
حَوْضِي مَسِيرَةُ شَهْرٍ مَاؤُهُ أَبْيَضُ مِنْ اللَّبَنِ وَرِيحُهُ أَطْيَبُ مِنْ الْمِسْكِ وَكِيزَانُهُ كَنُجُومِ السَّمَاءِ مَنْ شَرِبَ مِنْهَا فَلاَ يَظْمَأُ أَبَدًا
আমার হাউয এক মাসের রাস্তা, তার কোণসমূহ একই সমান, তার পানি দুধের চেয়েও সাদা, তার ঘ্রাণ মিস্‌ক-এর চেয়েও বেশী উত্তম, তার পেয়ালাসমূহ আকাশের তারকার ন্যায় অগণিত ও উজ্জ্বল, যে লোক তা থেকে পান করবে সে আর কখনো পিপাসার্ত হবে না।  (সহীহুল বুখারী ৬৫৭৯, সহীহ মুসলিম ৫৮৬৫)
.
কিছু লোকদের নবী (ﷺ) এর হাউয থেকে তাড়িয়ে দেয়া হবে। তারা সেখানে থেকে পানি পান করতে পারবে না। কারণ তারা দীনের মধ্যে নতুন মত ও পথ অবলম্বন করেছিল আর নতুন নতুন বিদ‘আত তৈরী করেছিল এবং তার উপর আমল করেছিল। সাহল ইবনু সা‘দ রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী (ﷺ) বলেছেন;
إِنِّي فَرَطُكُمْ عَلَى الْحَوْضِ مَنْ مَرَّ عَلَيَّ شَرِبَ وَمَنْ شَرِبَ لَمْ يَظْمَأْ أَبَدًا لَيَرِدَنَّ عَلَيَّ أَقْوَامٌ أَعْرِفُهُمْ وَيَعْرِفُونِي ثُمَّ يُحَالُ بَيْنِي وَبَيْنَهُمْ
আমি তোমাদের আগে হাউযের নিকট পৌঁছব। যে আমার নিকট দিয়ে অতিক্রম করবে, সে হাউযের পানি পান করবে। আর যে পান করবে সে আর কখনও পিপাসার্ত হবে না। নিঃসন্দেহে কিছু সম্প্রদায় আমার সামনে (হাউযে) উপস্থিত হবে। আমি তাদেরকে চিনতে পারব আর তারাও আমাকে চিনতে পারবে। অতঃপর আমার ও তাদের মধ্যে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করা হবে। (সহীহুল বুখারী ৬৫৮৩, ৭০৫০-৭০৫১, সহীহ মুসলিম ৫৮৬২)
.
অন্যত্র নবী (ﷺ) বলেছেনঃ
يَرِدُ عَلَى الْحَوْضِ رِجَالٌ مِنْ أَصْحَابِي فَيُحَلَّئُونَ عَنْهُ فَأَقُولُ يَا رَبِّ أَصْحَابِي فَيَقُولُ إِنَّكَ لاَ عِلْمَ لَكَ بِمَا أَحْدَثُوا بَعْدَكَ إِنَّهُمْ ارْتَدُّوا عَلَى أَدْبَارِهِمْ الْقَهْقَرَى
আমার উম্মাতের কিছু লোক আমার সামনে হাউযে (কাউছারে) হাজির হবে। তারপর তাদেরকে সেখান থেকে আলাদা করে নেয়া হবে। তখন আমি বলব, হে রব! এরা আমার উম্মাত। তিনি বলবেন, তোমার পরে এরা দীনের মধ্যে কী বিষয় সৃষ্টি করেছে সে সম্পর্কে নিশ্চয়ই তোমার জানা নেই। নিঃসন্দেহে এরা দীন থেকে পিছনের দিকে ফিরে গিয়েছিল। (সহীহুল বুখারী  ৬৫৮৫, ৬৫৮৬)
.
আবূ হুরাইরাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত;
أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَتَى الْمَقْبُرَةَ فَقَالَ ‏"‏ السَّلاَمُ عَلَيْكُمْ دَارَ قَوْمٍ مُؤْمِنِينَ وَإِنَّا إِنْ شَاءَ اللَّهُ بِكُمْ لاَحِقُونَ وَدِدْتُ أَنَّا قَدْ رَأَيْنَا إِخْوَانَنَا ‏"‏ ‏.‏ قَالُوا أَوَلَسْنَا إِخْوَانَكَ يَا رَسُولَ اللَّهِ قَالَ ‏"‏ أَنْتُمْ أَصْحَابِي وَإِخْوَانُنَا الَّذِينَ لَمْ يَأْتُوا بَعْدُ ‏"‏ ‏.‏ فَقَالُوا كَيْفَ تَعْرِفُ مَنْ لَمْ يَأْتِ بَعْدُ مِنْ أُمَّتِكَ يَا رَسُولَ اللَّهِ فَقَالَ ‏"‏ أَرَأَيْتَ لَوْ أَنَّ رَجُلاً لَهُ خَيْلٌ غُرٌّ مُحَجَّلَةٌ بَيْنَ ظَهْرَىْ خَيْلٍ دُهْمٍ بُهْمٍ أَلاَ يَعْرِفُ خَيْلَهُ ‏"‏ ‏.‏ قَالُوا بَلَى يَا رَسُولَ اللَّهِ ‏.‏ قَالَ ‏"‏ فَإِنَّهُمْ يَأْتُونَ غُرًّا مُحَجَّلِينَ مِنَ الْوُضُوءِ وَأَنَا فَرَطُهُمْ عَلَى الْحَوْضِ أَلاَ لَيُذَادَنَّ رِجَالٌ عَنْ حَوْضِي كَمَا يُذَادُ الْبَعِيرُ الضَّالُّ أُنَادِيهِمْ أَلاَ هَلُمَّ ‏.‏ فَيُقَالُ إِنَّهُمْ قَدْ بَدَّلُوا بَعْدَكَ ‏.‏ فَأَقُولُ سُحْقًا سُحْقًا
একবার রাসূলুল্লাহ (ﷺ) একটি কবরস্থানে এসে বললেন, তোমাদের উপর শান্তি বর্ষিত হোক। হে কবরবাসী মু’মিনগণ! ইনশাআল্লাহ আমরাও তোমাদের সাথে এসে মিলিত হবো। আমার বড় ইচ্ছা হয় আমাদের ভাইদেরকে দেখি। সাহাবায়ে কিরাম আরয করলেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমরা কি আপনার ভাই নই? তিনি বললেন, তোমরা তো আমার সাহাবা। আর যারা এখনো (পৃথিবীতে) আসেনি তারা আমাদের ভাই। সাহাবায়ে কিরাম আরয করলেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ। আপনার উম্মতের মধ্যে যারা এখনো (পৃথিবীতে) আসেনি তাদেরকে আপনি কিভাবে চিনবেন? তিনি বললেন, "কেন, যদি কোন ব্যক্তি সাদা রঙের কপাল ও সাদা রঙের হাত-পা বিশিষ্ট ঘোড়া অনেকগুলো কালো ঘোড়ার মধ্যে মিশে যায় তবে সে কি তার ঘোড়াকে চিনে নিতে পারবে না? তারা বললেন, হ্যাঁ, ইয়া রাসূলাল্লাহ! তিনি বললেন, তারা (আমার উম্মত) সেদিন এমন অবস্থা আসবে যে, ওযুর ফলে তাদের মুখমণ্ডল, হাত-পা জ্যোতির্ময় হবে। আর হাউযের পাড়ে আমি হব তাদের অগ্রনায়ক। জেনে রাখ, কিছু সংখ্যক লোককে সেদিন আমার হাউয থেকে তাড়িয়ে দেয়া হবে যেমনিভাবে অপরিচিত উটকে তাড়িয়ে দেয়া হবে। আমি তাদেরকে ডাকব, এসো এসো। তখন বলা হবে, "এরা আপনার পরে (আপনার দীনকে) পরিবর্তন করে দিয়েছিল"। তখন আমি বলব, “দূর হও, দূর হও”। (সহীহ মুসলিম ৪৭২, নাসাঈ ১৫০, ইবনে মাজাহ  ৪৩০৬, সহীহ)
.
আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, নবী (ﷺ) বলেছেন,
وَالَّذِي نَفْسِي بِيَدِهِ لأَذُودَنَّ رِجَالاً عَنْ حَوْضِي كَمَا تُذَادُ الْغَرِيبَةُ مِنَ الإِبِلِ عَنِ الْحَوْضِ
সেই সত্তার কসম যাঁর হাতে আমার প্রাণ, আমি নিশ্চয়ই (কিয়ামতের দিন) আমার হাউয থেকে কিছু লোকদের এমনভাবে তাড়াব, যেমন অপরিচিত উট হাউয হতে তাড়ান হয়। (সহীহুল বুখারী ২৩৬৭)
.
উসায়দ ইবনু হুযায়র রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, একজন আনসারী বললেন, হে আল্লাহর রাসূল, আপনি কি আমাকে অমুকের ন্যায় দায়িত্বে নিয়োজিত করবেন না? তিনি (ﷺ) বললেন,
إِنَّكُمْ سَتَلْقَوْنَ بَعْدِي أَثَرَةً فَاصْبِرُوا حَتَّى تَلْقَوْنِي عَلَى الْحَوْضِ
তোমরা আমার পরে অনেক পক্ষপাতিত্ব দেখবে তখন তোমরা ধৈর্যধারণ করবে যে পর্যন্ত না তোমরা হাওয (কাওসার)-এ আমার সাথে সাক্ষাত হও। (সহীহুল বুখারী ৩৭৯২, ৭০৫৭ সহীহ মুসলীম ৪৬৭৩, তিরমিযী ২১৮৯)
.
কাউছারের মূল উৎস হলো জান্নাতে। তা থেকেই রাসূলুল্লাহ (ﷺ)এর আরেকটি হাউযে পানি আসবে। সেখানে তার উম্মতকে তিনি পানি পান করাবেন। তাছাড়া সমস্ত নবীর হাউযের পানির উৎসও এ কাউছারই।


হাউযে কাউছারের বিবরণ
হাউযে কাউছারের বিবরণ

Price : *Happy Shopping
Order via whatsapp Order via Email

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

আজকের আইডিয়ার নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url
Content copy is disabled! Default text copied.