কিয়ামত | শরিফ গাজী অফিসিয়াল

কিয়ামত


প্রশ্ন-উত্তরে কুরআন, কিয়ামত!!!
يَسْأَلُكَ النَّاسُ عَنِ السَّاعَةِ ۖ قُلْ إِنَّمَا عِلْمُهَا عِنْدَ اللَّهِ ۚ وَمَا يُدْرِيكَ لَعَلَّ السَّاعَةَ تَكُونُ قَرِيبًا
(হে রাসূল) লোকেরা তোমাকে কিয়ামত সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করে, তুমি বলে দাও, তার জ্ঞান কেবলমাত্র আল্লাহর নিকটে আছে, আর তুমি কি জান, সম্ভবত কিয়ামত খুবই সন্নিকটে? (আল-আহযাব, ৩৩/৬৩)
وَمَا يُدْرِيكَ لَعَلَّ السَّاعَةَ قَرِيبٌ
তুমি কি জান, সম্ভবত কিয়ামত খুবই নিকটবর্তী? (আশ-শূরা, ৪২/১৭)

يَسْأَلُونَكَ عَنِ السَّاعَةِ أَيَّانَ مُرْسَاهَا
(হে রাসূল) তারা তোমাকে জিজ্ঞাসা করে, ‘কিয়ামত সম্পর্কে তা কখন ঘটবে’?
قُلْ إِنَّمَا عِلْمُهَا عِنْدَ رَبِّي ۖ لَا يُجَلِّيهَا لِوَقْتِهَا إِلَّا هُوَ ۚ ثَقُلَتْ فِي السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ ۚ لَا تَأْتِيكُمْ إِلَّا بَغْتَةً
তুমি বলে দাও, এর জ্ঞান তো আমার রবের কাছে রয়েছে; কেবলমাত্র তিনিই এর নির্ধারিত সময়ে প্রকাশ করবেন, তা আকাশসমূহ ও পৃথিবীতে এক ভয়ংকর ঘটনা হবে, আকস্মিকভাবেই তোমাদের উপর তা এসে পড়বে;
يَسْأَلُونَكَ كَأَنَّكَ حَفِيٌّ عَنْهَا
তারা তোমাকে প্রশ্ন করছে যেন তুমি এ সম্পর্কে বিশেষভাবে অবহিত;
قُلْ إِنَّمَا عِلْمُهَا عِنْدَ اللَّهِ وَلَٰكِنَّ أَكْثَرَ النَّاسِ لَا يَعْلَمُونَ
তুমি বলে দাও, ‘এ বিষয়ের জ্ঞান কেবল আল্লাহর কাছে আছে, কিন্তু অধিকাংশ মানুষ তা বুঝে না’। (আল-আ‘রাফ, ৭/১৮৭)
أَلَا إِنَّ الَّذِينَ يُمَارُونَ فِي السَّاعَةِ لَفِي ضَلَالٍ بَعِيدٍ
জেনে রাখ, কিয়ামত সম্পর্কে যারা বাকবিতন্ডা করে তারা ঘোর বিভ্রান্তিতে রয়েছে। (আশ-শূরা, ৪২/১৮)
بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ – الْحَاقَّةُ مَا الْحَاقَّةُ وَمَا أَدْرَاكَ مَا الْحَاقَّةُ
অবশ্যম্ভাবী ঘটনা (কিয়ামত)। কি সেই অবশ্যম্ভাবী ঘটনা (কিয়ামত)? আর কিসে তোমাকে জানাবে অবশ্যম্ভাবী ঘটনা কী? (আল-হাক্কাহ, ৬৯/১-৩)
فَإِذَا نُفِخَ فِي الصُّورِ نَفْخَةٌ وَاحِدَةٌ
যখন শিংগায় ফুঁক দেয়া হবে, একটি মাত্র ফুঁক।
وَحُمِلَتِ الْأَرْضُ وَالْجِبَالُ فَدُكَّتَا دَكَّةً وَاحِدَةً فَيَوْمَئِذٍ وَقَعَتِ الْوَاقِعَةُ وَانْشَقَّتِ السَّمَاءُ فَهِيَ يَوْمَئِذٍ وَاهِيَةٌ
আর জমিন ও পাহাড়গুলো উৎক্ষিপ্ত হবে, ফলে একটি মাত্র আঘাতে এগুলো চূর্ণ-বিচূর্ণ হয়ে যাবে। ফলে সে দিন মহাপ্রলয় (কিয়ামত) সংঘটিত হবে। আর আসমান ফেটে পড়বে, ফলে সেদিন তা বিক্ষিপ্ত হয়ে যাবে। (আল-হাক্কাহ, ৬৯/১৩-১৬)
بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ – الْقَارِعَةُ مَا الْقَارِعَةُ وَمَا أَدْرَاكَ مَا الْقَارِعَةُ
মহাপ্রলয়। মহাপ্রলয় কি? তোমাকে কিসে জানাবে মহাপ্রলয় কি?
يَوْمَ يَكُونُ النَّاسُ كَالْفَرَاشِ الْمَبْثُوثِ وَتَكُونُ الْجِبَالُ كَالْعِهْنِ الْمَنْفُوشِ
যেদিন মানুষ হবে বিক্ষিপ্ত পতঙ্গের মত, আর পর্বতরাজি হবে ধুনা রঙিন পশমের মত।
فَأَمَّا مَنْ ثَقُلَتْ مَوَازِينُهُ فَهُوَ فِي عِيشَةٍ رَاضِيَةٍ
তখন যার পাল্লা ভারী হবে, সে থাকবে সন্তোষজনক জীবনে;
وَأَمَّا مَنْ خَفَّتْ مَوَازِينُهُ فَأُمُّهُ هَاوِيَةٌ وَمَا أَدْرَاكَ مَا هِيَهْ نَارٌ حَامِيَةٌ
আর যার পাল্লা হালকা হবে তার আবাস হবে হাবিয়া। তুমি কি জান তা কি? জ্বলন্ত আগুন। (আল-ক্বারি’আহ, ১০১/১-১১)
بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ – إِذَا زُلْزِلَتِ الْأَرْضُ زِلْزَالَهَا
যখন পৃথিবী কম্পনে প্রবলভাবে প্রকম্পিত হবে,
وَأَخْرَجَتِ الْأَرْضُ أَثْقَالَهَا
এবং জমিন তার বোঝা বের করে দেবে,
وَقَالَ الْإِنْسَانُ مَا لَهَا
আর মানুষ বলবে, ‘এর কী হল?’
يَوْمَئِذٍ تُحَدِّثُ أَخْبَارَهَا
সেদিন পৃথিবী তার বৃত্তান্ত বর্ণনা করবে।
بِأَنَّ رَبَّكَ أَوْحَىٰ لَهَا
কারণ তোমার রব তাকে আদেশ করবেন।
يَوْمَئِذٍ يَصْدُرُ النَّاسُ أَشْتَاتًا لِيُرَوْا أَعْمَالَهُمْ
সেদিন মানুষ ভিন্ন ভিন্ন দলে বের হবে কারণ তাদেরকে তাদের কৃতকর্ম দেখানো হবে।
فَمَنْ يَعْمَلْ مِثْقَالَ ذَرَّةٍ خَيْرًا يَرَهُ وَمَنْ يَعْمَلْ مِثْقَالَ ذَرَّةٍ شَرًّا يَرَهُ
অতএব, কেউ অণু পরিমাণও সৎ কাজ করলে সে তা দেখতে পাবে। আর কেউ অণু পরিমাণও অসৎ কাজ করলে সেও তা দেখতে পাবে। (যিলযাল, ৯৯/১-৮)
কিয়ামত
কিয়ামত

Price : *Happy Shopping
Order via whatsapp Order via Email

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

আজকের আইডিয়ার নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url
Content copy is disabled! Default text copied.