আমাদের দেশে ওরসের সময় মৃত পীরের নামে যে শত শত গরু-ছাগল উৎসর্গ করা হয় ও তাবাররুকের নামে তা খাওয়া হয়, ইসলামী শরী‘আতে এর হুকুম কী | শরিফ গাজী অফিসিয়াল

আমাদের দেশে ওরসের সময় মৃত পীরের নামে যে শত শত গরু-ছাগল উৎসর্গ করা হয় ও তাবাররুকের নামে তা খাওয়া হয়, ইসলামী শরী‘আতে এর হুকুম কী

প্রশ্ন : আমাদের দেশে ওরসের সময় মৃত পীরের নামে যে শত
শত গরু-ছাগল উৎসর্গ করা হয় ও তাবাররুকের নামে তা
খাওয়া হয়, ইসলামী শরী‘আতে এর হুকুম কী?

==============

উত্তর : আল্লাহ ব্যতীত অন্যের উদ্দেশ্যে যবহ করা ‘শিরকে
আকবর’ বা বড় শিরক। যা মুসলমানকে ইসলাম থেকে খারিজ
করে দেয়। চাই সেটি কোন ফেরেশতার নামে হৌক, কোন
নবী-রাসূলের নামে হৌক বা পীর-আউলিয়ার নামে হৌক।
আল্লাহ বলেন, ‘যে ব্যক্তি আল্লাহ্র সাথে শিরক করল,
আল্লাহ তার উপরে জান্নাতকে হারাম করে দেন। তার
ঠিকানা হ’ল জাহান্নাম। সীমা লংঘনকারীদের জন্য কোন
সাহায্যকারী নেই’ (মায়েদাহ ৭২)। উৎসর্গীত ঐসব পশুর
গোস্ত খাওয়া হারাম। কেননা এগুলি আল্লাহ ব্যতীত অন্যের
নামে উৎসর্গ করা হয়েছে। আল্লাহ বলেন, ‘তোমাদের উপরে
হারাম করা হ’ল মৃত জীব, রক্ত, শুকরের গোশত, আল্লাহ
ব্যতীত অন্যের নামে উৎসর্গীত বস্তু,... এবং যা যবহ করা
হয় পূজ্য বেদীতে..’ (মায়েদাহ ৩)। উল্লেখ্য যে, জাহেলী
যুগে আরবের মুশরিকরা কা’বা গৃহের চতুষ্পার্শ্বে বিভিন্ন
প্রস্তর স্থাপন করে সেখানে পশু যবেহ করে তার গোশত
ভক্ষণ করত এবং ‘এর অসীলায় আল্লাহ্র নৈকট্য আশা
করত’ (যুমার ৩)। আমাদের দেশে ওরসের সময় মৃত পীরের
কবরকে কেন্দ্র করে যত পশু যবহ করা হয়, সবই উক্ত হুকুমের
অন্তর্ভুক্ত এবং তা নিঃসন্দেহে শিরক। ‘যদিও যবহের সময়
আল্লাহ্র নাম নেওয়া হয়’ (দ্রঃ তাফসীর ইবনে কাছীর
২/১৩)।

আমাদের দেশে ওরসের সময় মৃত পীরের নামে যে শত
শত গরু-ছাগল উৎসর্গ করা হয় ও তাবাররুকের নামে তা
খাওয়া হয়, ইসলামী শরী‘আতে এর হুকুম কী
আমাদের দেশে ওরসের সময় মৃত পীরের নামে যে শত শত গরু-ছাগল উৎসর্গ করা হয় ও তাবাররুকের নামে তা খাওয়া হয়, ইসলামী শরী‘আতে এর হুকুম কী

Price : *Happy Shopping
Order via whatsapp Order via Email

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

আজকের আইডিয়ার নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url
Content copy is disabled! Default text copied.