ইসলামের উৎস
ইসলামের উৎস হচ্ছে চারটি
========================
✔✔(১)কিতাবুল্লাহ (কুরঅানে কারীম)
✔✔(২)সুন্নাতে রাসুল (রাসুল (সাঃ)এর হাদীস।
✔✔(৩) ইজমায়ে উম্মত (উম্মতের ঐক্যমত)
ইজমায়ে উম্মত মানে সারা বিশ্বের মুসলিমদের ওলামারা
ঐকৌমত করেছেন।কোন ইখতেলাফ নেই।যেমনঃ একটি
উদাহারন দেই। পাচঁ ওয়াক্ত নামায ফরয।এতে সারা
বিশ্বের উম্মতের মধ্যে কোন ইখতেলাফ অাছে? নেই। রমযান
মাসের রোযা ফরয। কুরঅানে ও অাছে, হাদীসে ও
অাছে,ইজমাতেও অাছে, যে ব্যাপারে কোন দিমত নেই,এটা
হচ্ছে ইজমায়ে উম্মত। ইজমা হচ্ছে তৃিতীয় উৎস ইসলামে।
অাবার অনেকে ইজমার দোহাই দিয়ে অনেক গুলি বিদঅাতী
কাজ কারবার অামাদের দেশের লোকেরা চালাতে চায়।এ
বিষয়ের উপর অন্যদিন অালোচনা করব ইনশাঅাল্লাহ।
✔✔(৪)চতুর্থ হচ্ছে কিয়াস।
কিয়াস মানে এমন একটি নতুন সমস্যা অাসল! খুব সহজে বুঝাই
অাপনাদেরকে, এমন একটি নতুন সমস্যা অাসল,অার এই
সমস্যার জন্য স্পষ্ট কুরঅান হাদীসে দলীল পাওয়া যাচ্ছে
না,তবে ঐ রখমেরি একটা মাসালা রয়েছে,কুরঅান অথবা
হাদীসে প্রমানিত,এখন ওটাকে কি করবেন অাপনি? যে
মাসালাটি নতুন,অাজকাল উটেছে,এই মাসালাকে ঐ মাসালার
সাথে তুলনা করে ঐ হুকুম, ঐ বিধানাটাকে এখানে (নতুন
মাসালার উপর) পিট করা, এর নাম হচ্ছে কিয়াস।যেমনঃ
একটি উদাহারন দেইঃ
যেমন কুরঅানে অাল্লাহ পাক বলছেনঃ
ﺣﺮﻣﺖ ﻋﻠﻴﻜﻢ
রেদামোত
ﺍﻟﻤﻴﺘﺔﻭﺍﻟﺪﻡ
জন্য রক্তকে হারাম করা হয়েছেে,এবং মৃত জীব
জন্তুকে হারাম করা হয়েছে। যেমনঃ গরু হালাল,খাশী
হালাল,কিন্ত যদি মরে যায় তাহলে হারাম।মুরগী হালাল
কিন্ত মুরগী মারা যাবার পর যদি জবাইকরে খান, তাহলে
হারাম।
ﻭﻟﺤﻢ ﺍﻟﺨﻨﺰ রাঅ
ﻳﺮ শুকরের গুস্ত হারাম করা হয়েছে।অাল্লাহ কি বলেছেন
শুকরের গুস্ত হারাম।তাহলে শুকরের গুস্ত হারাম এর দলীল তো
কুরঅানে অাছে।এখন কেউ যদি বলে যে,অামি শুকরের চর্বি
খাবো, চলবে? অাপনি যদি বলেন, চর্বি খাওয়া চলবে না
হারাম,সে বলবে যে,চর্বি কোথায় হারাম,অাল্লাহ তো
বলেছেন শুকরের গুস্ত খাওয়া হারাম, চর্বি কোথায় হারাম
অাছে, চর্বি হারামের কথা কোথাও নেই। তখন কি বলবেন?
যে কিয়াস,চর্বির উপর গুস্তের কিয়াস।
অারেকটি উদাহারন দেই। সুদের ক্বেত্রে,
সুদের ক্বেত্রে ৬ টি জিনিসের কথা হাদীসে অাছে যে,
এগুলোতে সুদ অাছে।তার মধ্যে একটি লবন,লবনের বদল লবন
যদি দেন,এক কিলো লবন দিয়ে দের কিলো লবন
নিলেন,যায়েজ হবে? না সুদ হবে? (সুদ হবে) তার পর অাছে
গমের কথা,যবের কথা,অাছে সুনা চাদির কথা,অাছে খেজুরের
কথা, অার অাছে কিছ মিছের কথা। তাহলে এখন কেউ যদি
বলে, অামি একমন অাম দিয়ে দের মন অাম নেব। কোথায়
অাছে অামের কথা? কোথাও নেই। ধানের কথা,চাউলের কথা
নেই হাদীসে,এখন কেউ যদি বলে যে,সুদ তো শুধু ঐ ৬ টি
জিনিসেই অাছে। অামে শুধ নেই, কাঠালেও সুদ নেই ধানে
চালে ও সুদ নেই।তার পর অাপেল,অাপেলের কথা হাদীসে
নেই, তো যদি এক কিলো অাপেল দিয়ে দের কিলো অাপেল
নেন, যে ঠিকঅাছে তুমাকে অাজকে এক কিলো অাপেল দিলাম
পয়শা তো নেই কাল তুমি অাপেল দিবে দের কিলো অাপেল
লাগবে, যায়েজ হবে? না সুদ হবে? (সুদ হবে) দলীল কোথায়?
তখন বলবেন যে কিয়াস।এর নাম হচ্ছে কিয়াস।
অার কিয়াস মানে বাউতাবাজী নয়।
সহীহ হাদীস থাকতে কিয়াস চলবে না।কুরঅান হাদীস
বিরুধী কিয়াস নেই। যে রখম কিয়াসের কথা বল্লাম কুরঅান
হাদীস বিরুধী নয়।কুরঅান হাদীস বিরুধী যদি কিয়াস
হয়,তাহলে এটা হবে শয়তানী কিয়াস ইবলিশি কিয়াস।
ইবলিশি কিয়াস কাকে বলে যানেন? ইবলিশও কিয়াস করে
ছিল।ইবলিশকে বলা হল অাদমকে সেজদা করো,তখন সে কি
বলেছিল,সে যুক্তি পেশ করেছিল।যে
ﻗﺎﻝ ﺍﻧﺎﺧﻴﺮ ﻣﻨﻪ ﺧﻠﻘﺘﻨﻰ ﻣﻦ ﻧﺎﺭ ﻭﺧﻠﻘﺘﻪ ﻣﻦ ﻃﻴﻦ ،،
অামি অাদের চেয়ে উত্তম, কেন? অামাকে অাগুন দিয়ে সৃষ্টি
করেছেন,অার তাকে মাটি দিয়ে সৃষ্টি করোছেন,মাটি
নিচের দিকে অার অাগুন উপরের দিকে।কারন মাটির একটা
ডিল মেরে দেখেন নিচের দিকে অাসবে,অার অাগুন জালিয়ে
দেখেন ওটা উপরের দিকে উটবে,অামি সব সময় উপরে কেন
অামি অাদমকে সেজদা করতে যাব। এটা হচ্ছে শয়তানী
কিয়াস।তো ঐ রখমেই যদি কুরঅান হাদীসের দলীল থাকতে
কেউ যদি কিয়াস করে, তাহলে এটা হল ইবলিশি কিয়াস।
কুরঅান হাদীসের দলীল থাকতে কিয়াস নেই।
প্রথম হল অাল্লাহর কথা।দ্বিতীয় হল, রাসুল (সাঃ) এর কথা।
তৃতীয় হল উম্মতের ইজমা। চতুর্থ হল কিয়াস। এই হল চারটি।
পাচ নাম্বারে ইসলামে কোন দলীল নেই অারেকটা অাছে
বিদঅাতীদের। যখন বিদঅাতীরা অামাদের দেশে তর্ক বহস
করে তখন, যখন কুরঅান হাদীস,ইজমা কিয়াস,কিছুই দিয়ে
যখন না পাড়ে,তখন তাদের পাচঁ নাম্বারের দলীল হল লড়াই
শুরু করা। এই ঢিল পাথর ছুরা ছুরি করল, লাঠি নিয়ে চলে
অাসল, দল বলকে বলে হৈ চৈ হৈ চৈ মতিয়ে দিল,হৈ চৈ
মতিয়ে তাদিয়ে পত্র পত্রিকায় চাপিয়ে দিল, যে অামাদের
ওমুক পীর সাহের জীতে গেতে,অার ঐ অমুকেরা হেরে গেছে।
তো এই হচ্ছে বিদঅাতীদের পাচ নাম্বারের দলীল।যখন
কুরঅানেও পাবে না,হাদীসেও পাবে না,ইজমাতেও পাবে
না,কিয়াসেও পাবে না,তখন হল লড়াই,অার এটাই হচ্ছে
তাদের খুব শক্ত মর্কা দলীল।
✔✔..Collection ..✔✔
========================
✔✔(১)কিতাবুল্লাহ (কুরঅানে কারীম)
✔✔(২)সুন্নাতে রাসুল (রাসুল (সাঃ)এর হাদীস।
✔✔(৩) ইজমায়ে উম্মত (উম্মতের ঐক্যমত)
ইজমায়ে উম্মত মানে সারা বিশ্বের মুসলিমদের ওলামারা
ঐকৌমত করেছেন।কোন ইখতেলাফ নেই।যেমনঃ একটি
উদাহারন দেই। পাচঁ ওয়াক্ত নামায ফরয।এতে সারা
বিশ্বের উম্মতের মধ্যে কোন ইখতেলাফ অাছে? নেই। রমযান
মাসের রোযা ফরয। কুরঅানে ও অাছে, হাদীসে ও
অাছে,ইজমাতেও অাছে, যে ব্যাপারে কোন দিমত নেই,এটা
হচ্ছে ইজমায়ে উম্মত। ইজমা হচ্ছে তৃিতীয় উৎস ইসলামে।
অাবার অনেকে ইজমার দোহাই দিয়ে অনেক গুলি বিদঅাতী
কাজ কারবার অামাদের দেশের লোকেরা চালাতে চায়।এ
বিষয়ের উপর অন্যদিন অালোচনা করব ইনশাঅাল্লাহ।
✔✔(৪)চতুর্থ হচ্ছে কিয়াস।
কিয়াস মানে এমন একটি নতুন সমস্যা অাসল! খুব সহজে বুঝাই
অাপনাদেরকে, এমন একটি নতুন সমস্যা অাসল,অার এই
সমস্যার জন্য স্পষ্ট কুরঅান হাদীসে দলীল পাওয়া যাচ্ছে
না,তবে ঐ রখমেরি একটা মাসালা রয়েছে,কুরঅান অথবা
হাদীসে প্রমানিত,এখন ওটাকে কি করবেন অাপনি? যে
মাসালাটি নতুন,অাজকাল উটেছে,এই মাসালাকে ঐ মাসালার
সাথে তুলনা করে ঐ হুকুম, ঐ বিধানাটাকে এখানে (নতুন
মাসালার উপর) পিট করা, এর নাম হচ্ছে কিয়াস।যেমনঃ
একটি উদাহারন দেইঃ
যেমন কুরঅানে অাল্লাহ পাক বলছেনঃ
ﺣﺮﻣﺖ ﻋﻠﻴﻜﻢ
রেদামোত
ﺍﻟﻤﻴﺘﺔﻭﺍﻟﺪﻡ
জন্য রক্তকে হারাম করা হয়েছেে,এবং মৃত জীব
জন্তুকে হারাম করা হয়েছে। যেমনঃ গরু হালাল,খাশী
হালাল,কিন্ত যদি মরে যায় তাহলে হারাম।মুরগী হালাল
কিন্ত মুরগী মারা যাবার পর যদি জবাইকরে খান, তাহলে
হারাম।
ﻭﻟﺤﻢ ﺍﻟﺨﻨﺰ রাঅ
ﻳﺮ শুকরের গুস্ত হারাম করা হয়েছে।অাল্লাহ কি বলেছেন
শুকরের গুস্ত হারাম।তাহলে শুকরের গুস্ত হারাম এর দলীল তো
কুরঅানে অাছে।এখন কেউ যদি বলে যে,অামি শুকরের চর্বি
খাবো, চলবে? অাপনি যদি বলেন, চর্বি খাওয়া চলবে না
হারাম,সে বলবে যে,চর্বি কোথায় হারাম,অাল্লাহ তো
বলেছেন শুকরের গুস্ত খাওয়া হারাম, চর্বি কোথায় হারাম
অাছে, চর্বি হারামের কথা কোথাও নেই। তখন কি বলবেন?
যে কিয়াস,চর্বির উপর গুস্তের কিয়াস।
অারেকটি উদাহারন দেই। সুদের ক্বেত্রে,
সুদের ক্বেত্রে ৬ টি জিনিসের কথা হাদীসে অাছে যে,
এগুলোতে সুদ অাছে।তার মধ্যে একটি লবন,লবনের বদল লবন
যদি দেন,এক কিলো লবন দিয়ে দের কিলো লবন
নিলেন,যায়েজ হবে? না সুদ হবে? (সুদ হবে) তার পর অাছে
গমের কথা,যবের কথা,অাছে সুনা চাদির কথা,অাছে খেজুরের
কথা, অার অাছে কিছ মিছের কথা। তাহলে এখন কেউ যদি
বলে, অামি একমন অাম দিয়ে দের মন অাম নেব। কোথায়
অাছে অামের কথা? কোথাও নেই। ধানের কথা,চাউলের কথা
নেই হাদীসে,এখন কেউ যদি বলে যে,সুদ তো শুধু ঐ ৬ টি
জিনিসেই অাছে। অামে শুধ নেই, কাঠালেও সুদ নেই ধানে
চালে ও সুদ নেই।তার পর অাপেল,অাপেলের কথা হাদীসে
নেই, তো যদি এক কিলো অাপেল দিয়ে দের কিলো অাপেল
নেন, যে ঠিকঅাছে তুমাকে অাজকে এক কিলো অাপেল দিলাম
পয়শা তো নেই কাল তুমি অাপেল দিবে দের কিলো অাপেল
লাগবে, যায়েজ হবে? না সুদ হবে? (সুদ হবে) দলীল কোথায়?
তখন বলবেন যে কিয়াস।এর নাম হচ্ছে কিয়াস।
অার কিয়াস মানে বাউতাবাজী নয়।
সহীহ হাদীস থাকতে কিয়াস চলবে না।কুরঅান হাদীস
বিরুধী কিয়াস নেই। যে রখম কিয়াসের কথা বল্লাম কুরঅান
হাদীস বিরুধী নয়।কুরঅান হাদীস বিরুধী যদি কিয়াস
হয়,তাহলে এটা হবে শয়তানী কিয়াস ইবলিশি কিয়াস।
ইবলিশি কিয়াস কাকে বলে যানেন? ইবলিশও কিয়াস করে
ছিল।ইবলিশকে বলা হল অাদমকে সেজদা করো,তখন সে কি
বলেছিল,সে যুক্তি পেশ করেছিল।যে
ﻗﺎﻝ ﺍﻧﺎﺧﻴﺮ ﻣﻨﻪ ﺧﻠﻘﺘﻨﻰ ﻣﻦ ﻧﺎﺭ ﻭﺧﻠﻘﺘﻪ ﻣﻦ ﻃﻴﻦ ،،
অামি অাদের চেয়ে উত্তম, কেন? অামাকে অাগুন দিয়ে সৃষ্টি
করেছেন,অার তাকে মাটি দিয়ে সৃষ্টি করোছেন,মাটি
নিচের দিকে অার অাগুন উপরের দিকে।কারন মাটির একটা
ডিল মেরে দেখেন নিচের দিকে অাসবে,অার অাগুন জালিয়ে
দেখেন ওটা উপরের দিকে উটবে,অামি সব সময় উপরে কেন
অামি অাদমকে সেজদা করতে যাব। এটা হচ্ছে শয়তানী
কিয়াস।তো ঐ রখমেই যদি কুরঅান হাদীসের দলীল থাকতে
কেউ যদি কিয়াস করে, তাহলে এটা হল ইবলিশি কিয়াস।
কুরঅান হাদীসের দলীল থাকতে কিয়াস নেই।
প্রথম হল অাল্লাহর কথা।দ্বিতীয় হল, রাসুল (সাঃ) এর কথা।
তৃতীয় হল উম্মতের ইজমা। চতুর্থ হল কিয়াস। এই হল চারটি।
পাচ নাম্বারে ইসলামে কোন দলীল নেই অারেকটা অাছে
বিদঅাতীদের। যখন বিদঅাতীরা অামাদের দেশে তর্ক বহস
করে তখন, যখন কুরঅান হাদীস,ইজমা কিয়াস,কিছুই দিয়ে
যখন না পাড়ে,তখন তাদের পাচঁ নাম্বারের দলীল হল লড়াই
শুরু করা। এই ঢিল পাথর ছুরা ছুরি করল, লাঠি নিয়ে চলে
অাসল, দল বলকে বলে হৈ চৈ হৈ চৈ মতিয়ে দিল,হৈ চৈ
মতিয়ে তাদিয়ে পত্র পত্রিকায় চাপিয়ে দিল, যে অামাদের
ওমুক পীর সাহের জীতে গেতে,অার ঐ অমুকেরা হেরে গেছে।
তো এই হচ্ছে বিদঅাতীদের পাচ নাম্বারের দলীল।যখন
কুরঅানেও পাবে না,হাদীসেও পাবে না,ইজমাতেও পাবে
না,কিয়াসেও পাবে না,তখন হল লড়াই,অার এটাই হচ্ছে
তাদের খুব শক্ত মর্কা দলীল।
✔✔..Collection ..✔✔

আজকের আইডিয়ার নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url