ঈদে মীলাদুন নাবী’ (নবী দিবস) পালন করা বৈধ নয় কেন?
‘ঈদে মীলাদুন নাবী’ (নবী দিবস) পালন করা বৈধ নয় কেন?
মহান আল্লাহ আমাদের দ্বীন ইসলামকে পূর্ণাঙ্গ করে
দিয়েছেন তাঁর নবীর জীবদ্দশাতেই। মহান আল্লাহ বলেন,
“আমি তোমাদের জন্য তোমাদের দ্বীনকে পূর্ণাঙ্গ করলাম ও
তোমাদের প্রতি আমার অনুগ্রহ (নেয়ামত) সম্পূর্ণ করলাম
এবং ইসলামকে তোমাদের ধর্মরূপে মনোনীত করলাম।(সূরা
মায়েদাহ ৩ আয়াত)
আর মহানবী (সঃ) বলেন, “ যে ব্যক্তি আমাদের এ (দ্বীন)
ব্যপারে নতুন কিছু আবিষ্কার করে, সে ব্যাক্তির সে কাজ
প্রত্যাখ্যাত।” ৯১ (বুখারী ও মুসলিম) “যে ব্যক্তি এমন কোন
কাজ করে, যার উপর আমাদের কোন নির্দেশ নেই, সে
ব্যক্তির সে কাজ প্রত্যাখ্যাত।” ৯২ (মুসলিম)
ইসলামে পালনীয় ঈদ হল মাত্র দুটি; ঈদুল ফিতর ও ঈদুল
আযহা। তৃতীয় কোন ঈদ ইসলামে নেই। মহানবী (সঃ)
নবুয়তের ২৩ বছর কাল নিজের জীবনে কোন বছর নিজের
জন্মদিন পালন করে যাননি। কোন সাহাবীকে তা পালন
করার নির্দেশও দেননি। তাঁর পূর্ববর্তী নবীদের জন্ম মৃত্যু
উপলক্ষে কোন আনন্দ অথবা শোকপালন করে যাননি।
তাঁর পরবর্তীকালে তাঁর চারজন খলীফা তাদের
খেলাফতকালে রাষ্ট্রীয়ভাবে অথবা একেকভাবে নাবীদিবস
পালন করে যাননি। অন্য কোন সাহাবী বা আত্মীয়ও তাঁর
প্রতি এত ভালবাসা ও শ্রদ্ধা থাকা সত্ত্বেও তাঁর জন্মদিন
উপলক্ষে শোক পালন করেননি। তাঁদের পরেও কোন তাবেঈ
অথবা তাঁদের কোন একনিষ্ঠ অনুসারী অথবা কোন ইমাম তাঁর
জন্ম কিংবা মৃত্যুদিন পালন করার ইঙ্গিত দিয়ে যাননি।
সুতরাং তা যে নব আবিষ্কৃত বিদআত, তা বলাই বাহুল্য।
খ্রিস্টানরা আন্দাজে ২৫ শে ডিসেম্বর যীশু খ্রিস্টের
জন্মোৎসব (মীলাদ, বড়দিন বা ক্রিসমাস ডে) এবং তাঁদের
পরিবারের প্রত্যেক ব্যক্তির জন্মদিন (বার্থডে) বড়
আনন্দের সাথে পালন করে থাকে। মুসলিমরা তাঁদের মত
আনন্দে মাতোয়ারা হওয়ার উদ্দেশ্য এই বিদআত ওদের নিকট
হতেই গ্রহণ করে নিয়েছে। তাই এরাও ওদের মত নবীদিবস
(ঈদে-মীলাদুন-নাবী) এবং পরিবারের সভ্যদের (বিশেষ
করে শিশুদের) ‘হ্যাপি বার্থ ডে’র অনুষ্ঠান উদযাপন করে
থাকে। অথচ তাঁদের রাসুল (সঃ) তাঁদেরকে সাবধান করে
বলেন, “ যে ব্যক্তি কোন সম্প্রদায়ের সাদৃশ্য অবলম্বন করে
সে তাদেরই একজন।” ৯৩ (আবুদাঊদ)
Price : *Happy Shopping

আজকের আইডিয়ার নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url