মাহরাম না হলে একজন পুরুষের একজন মহিলার সাথে কথা বলা জায়েজ কি? | শরিফ গাজী অফিসিয়াল

মাহরাম না হলে একজন পুরুষের একজন মহিলার সাথে কথা বলা জায়েজ কি?

মাহরাম না হলে একজন পুরুষের একজন
মহিলার সাথে কথা বলা জায়েজ কি?

প্রত্যেকটা মেয়ের জন্য খাছ পর্দা করা ফরয, এটা দ্বীন
ইসলাম এবং আল্লাহ্  সুভহানাহুয়া তা’লা যিনি রাব্বুল

আলামিন উনার হুকুম, এখন কেউ যদি নিজেকে মুসলমান দাবী
করে অথচ দ্বীন ইসলামের হুকুম অমান্য করে তাহলে সে কি
করে মুসলমান হতে পারে? অথচ আল্লাহ্ পাক যিনি রাব্বুল
আলামিন সুভহানাহুওয়াতা’লা পবিত্র কিতাব আল কুরআ’নুল
কারিমে বলছেন
★→ ঈমানদার নারীদেরকে বলুন, তারা যেন তাদের
দৃষ্টিকে নত রাখে এবং তাদের যৌন অঙ্গের হেফাযত করে।
তারা যেন যা সাধারণতঃ প্রকাশমান, তা ছাড়া তাদের
সৌন্দর্য প্রদর্শন না করে এবং তারা যেন তাদের মাথার
ওড়না বক্ষ দেশে ফেলে রাখে এবং তারা যেন তাদের
স্বামী, পিতা, শ্বশুর, পুত্র, স্বামীর পুত্র, ভ্রাতা,
ভ্রাতুস্পুত্র, ভগ্নিপুত্র, স্ত্রীলোক অধিকারভুক্ত বাঁদী,
যৌনকামনামুক্ত পুরুষ, ও বালক, যারা নারীদের গোপন
অঙ্গ সম্পর্কে অজ্ঞ, তাদের ব্যতীত কারো আছে তাদের
সৌন্দর্য প্রকাশ না করে, তারা যেন তাদের গোপন সাজ-
সজ্জা প্রকাশ করার জন্য জোরে পদচারণা না করে।
মুমিনগণ, তোমরা সবাই আল্লাহর সামনে তওবা কর, যাতে
তোমরা সফলকাম হও। সূরা আন-নূর:৩১
উপরে যে আয়াত টা বলা হয়েছে অনেকে যানেনা অনেকে
যানেন তাই ঐ আয়াতের পুর্ন অর্থ জানতে সুরাটির শানে
নুজুল পড়ুন। একটি কথা মনে রাখবেন আপনি ফরজ বিধান
পালন না করলে কবিরা গুনাহ কিন্তু অস্বীকার করলে
কাফির।
★:→ উত্তরঃ মাহরাম না হলে একজন পুরুষের একজন মহিলার
সাথে কথা বলা শরীয়তে জায়েজ নেই। এর কোনো অনুমতি
নেই । তবে বিশেষ কোনো প্রয়োজন দেখা দিলে কথা বলা
যাবে । কিন্তু সেক্ষেত্রে শরীয়ত নির্দিষ্ট সীমা
নির্ধারন করে দিয়েছে ।
আর তা হচ্ছে – ↓↓↓↓↓↓↓↓↓↓↓↓←
১) যদি নারীদের কাছ থেকে পুরুষের কোনো কিছু নেয়ার
প্রয়োজন দেখা দেয় , তাহলে সরাসরি সামনে আসবেনা বরং
পর্দার অন্তরাল থেকে চাবে । কোরআন শরীফে ইরশাদ
হয়েছে –
ﻭَﺇِﺫَﺍ ﺳَﺄَﻟْﺘُﻤُﻮﻫُﻦَّ ﻣَﺘَﺎﻋًﺎ ﻓَﺎﺳْﺄَﻟُﻮﻫُﻦَّ ﻣِﻦ ﻭَﺭَﺍﺀ ﺣِﺠَﺎﺏٍ
তোমরা তাঁর পত্নীগণের কাছে কিছু চাইলে পর্দার আড়াল
থেকে চাইবে।(সুরাহ আহযাব : ৫৩ )
উপরের হুকুমটি বিশেষভাবে নবী পত্নীগন কে লক্ষ্য করে
বলা হলেও তা সমগ্র উম্মতের জন্য প্রযোজ্য । ( মাআরেফুল
কোরআন ৭ম খন্ড )
২ ) এবং এছাড়াও যদি গায়রে মাহরাম নারীর সাথে কোনো
পুরুষের কথা বলার প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়, তবে
বাক্যালাপের সময় নারীগন কৃত্রিমভাবে কন্ঠের
স্বভাবসুলভ কোমলতা এবং লাজুকতা পরিহার করবে ।
অর্থ্যাৎ এমন কোমলতা যা শ্রোতার মনে অনাকাংখিত
কামনা/আগ্রহ সৃষ্টি করে ।কুরআন শরীফে আল্লাহ তাআলা
ইরশাদ করেন :
ﻳَﺎ ﻧِﺴَﺎﺀ ﺍﻟﻨَّﺒِﻲِّ ﻟَﺴْﺘُﻦَّ ﻛَﺄَﺣَﺪٍ ﻣِّﻦَ ﺍﻟﻨِّﺴَﺎﺀ ﺇِﻥِ ﺍﺗَّﻘَﻴْﺘُﻦَّ ﻓَﻠَﺎ ﺗَﺨْﻀَﻌْﻦَ
ﺑِﺎﻟْﻘَﻮْﻝِ ﻓَﻴَﻄْﻤَﻊَ ﺍﻟَّﺬِﻱ ﻓِﻲ ﻗَﻠْﺒِﻪِ ﻣَﺮَﺽٌ ﻭَﻗُﻠْﻦَ

ﻗَﻮْﻟًﺎ ﻣَّﻌْﺮُﻭﻓًﺎ
হে নবীর পত্নীগণ! তোমরা অন্য নারীদের মত নও; যদি
তোমরা আল্লাহকে ভয় কর, তবে পরপুরুষের সাথে কোমল ও
আকর্ষনীয় ভঙ্গিতে কথা বলো না, ফলে সেই ব্যক্তি
কুবাসনা করে, যার অন্তরে ব্যাধি রয়েছে তোমরা সঙ্গত
কথাবার্তা বলবে। (সুরাহ আহযাব : ৩২)
আপুমনিরা দেখে নিন আপনি কি কুরআন এর আদেশ মেনে জিবন
পরিচালনা করছেন নাকি অমান্য করে চলছেন। আপনি যদি
কুরআনের আদেশ মেনে না চলেন আর সম্পূর্ণ জীবন ইবাদত
বন্দেগি ফরহেজগারিতে কাটান তাহলেও আপনি
জাহান্নামি কারন কুরআনের আদেশ অমান্য করা কুফরি আর
পবিত্র কুরআনে স্পষ্ট বলা হয়েছে কিভাবে পর্দা করবেন,
কিভাবে ঘরে বাহিরে পরিবার পরিজন আত্তিওস্বজন এবং
পর পুরুষের সাথে চলাফেরা করবেন।
কে কিভাবে চলতেছে কে কিভাবে বেহায়াপনা করতেছে কে
মজা লুটতেছে তা কুনো দলিল না না আপনার দেখার বিষয়
আপনার দেখার বিষয় হলো কুরআন সুন্নাহ ইজমা কিয়াস কি
বলে। এখন ভালো মন্দ বুঝা আপনার একান্ত ব্যপার কারন
আপনার কবরে একমাত্র আপনার নেক আমল ই যাবে অন্য
কিছুনা।

মাহরাম না হলে একজন পুরুষের একজন
মহিলার সাথে কথা বলা জায়েজ কি?
মাহরাম না হলে একজন পুরুষের একজন মহিলার সাথে কথা বলা জায়েজ কি?

Price : *Happy Shopping
Order via whatsapp Order via Email

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

আজকের আইডিয়ার নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url
Content copy is disabled! Default text copied.