সালাম ফিরানোর পর যিকরসমূহ
সালাম ফিরানোর পর যিকরসমূহ :
দয়া করে শেয়ার করতে ভুলবেন না...
»‘নিশ্চয় সৎ কাজের পথ প্রদর্শক তা সম্পাদনকারীর
অনুরূপ।’ [তিরমিযী : ২৬৭০, সহীহ]
১-(1) « ﺃَﺳْﺘَﻐْﻔِﺮُ ﺍﻟﻠَّﻪَ » (তিনবার)
(আস্তাগফিরুল্লা-হ) (তিনবার)
২-(১) “আমি আল্লাহ্র নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করছি।”
« ﺍﻟﻠَّﻬُﻢَّ ﺃَﻧْﺖَ ﺍﻟﺴَّﻼَﻡُ، ﻭَﻣِﻨْﻚَ ﺍﻟﺴَّﻼَﻡُ، ﺗَﺒَﺎﺭَﻛْﺖَ ﻳَﺎ ﺫَﺍ ﺍﻟْﺠَﻼَﻝِ
ﻭَﺍﻟْﺈِﻛْﺮَﺍﻡِ » .
(আল্লা-হুম্মা আনতাস্ সালা-মু ওয়া মিনকাস্ সালা-মু তাবা-
রক্তা ইয়া যালজালা-লি ওয়াল-ইকরা-ম)।
“হে আল্লাহ! আপনি শান্তিময়। আপনার নিকট থেকেই শান্তি
বর্ষিত হয়। আপনি বরকতময়, হে মহিমাময় ও সম্মানের
অধিকারী!”[1]
৩-(2) « ﻻَ ﺇِﻟَﻪَ ﺇِﻻَّ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻭَﺣْﺪَﻩُ ﻻَ ﺷَﺮِﻳﻚَ ﻟَﻪُ، ﻟَﻪُ ﺍﻟْﻤُﻠْﻚُ ﻭَﻟَﻪُ ﺍﻟْﺤَﻤْﺪُ
ﻭَﻫُﻮَ ﻋَﻠَﻰ ﻛُﻞِّ ﺷَﻲْﺀٍ ﻗَﺪِﻳﺮٌ [তিনবার]،
ﺍﻟﻠَّﻬُﻢَّ ﻻَ ﻣَﺎﻧِﻊَ ﻟِﻤَﺎ ﺃَﻋْﻄَﻴْﺖَ، ﻭَﻻَ ﻣُﻌْﻄِﻲَ ﻟِﻤَﺎ ﻣَﻨَﻌْﺖَ، ﻭَﻻَ ﻳَﻨْﻔَﻊُ ﺫَﺍ
ﺍﻟْﺠَﺪِّ ﻣِﻨْﻚَ ﺍﻟﺠَﺪُّ ».
(লা ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু ওয়াহদাহু লা শারীকা লাহু,
লাহুল মূলকু ওয়া লাহুল হামদু, ওয়া হুয়া আলা কুল্লি শাই’ইন
ক্বাদীর। [তিন বার]
আল্লা-হুম্মা লা মানি‘আ লিমা আ‘তাইতা, ওয়ালা মু‘তিয়া
লিমা মানা‘তা, ওয়ালা ইয়ানফা‘উ যালজাদ্দি মিনকাল
জাদ্দু)।
৪-(২) “একমাত্র আল্লাহ ছাড়া কোনো হক্ব ইলাহ নেই, তাঁর
কোনো শরীক নেই, রাজত্ব তাঁরই, সমস্ত প্রশংসাও তাঁর, আর
তিনি সকল কিছুর উপর ক্ষমতাবান।” (তিনবার)
হে আল্লাহ, আপনি যা প্রদান করেছেন তা বন্ধ করার কেউ
নেই, আর আপনি যা রুদ্ধ করেছেন তা প্রদান করার কেউ
নেই। আর কোনো ক্ষমতা-প্রতিপত্তির অধিকারীর ক্ষমতা ও
প্রতিপত্তি আপনার কাছে কোনো উপকারে আসবে না।”[2]
৫-(3) « ﻟَﺎ ﺇِﻟَﻪَ ﺇِﻻَّ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻭَﺣْﺪَﻩُ ﻻَ ﺷَﺮِﻳﻚَ ﻟَﻪُ، ﻟَﻪُ ﺍﻟْﻤُﻠْﻚُ، ﻭَﻟَﻪُ ﺍﻟْﺤَﻤﺪُ،
ﻭَﻫُﻮَ ﻋَﻠَﻰ ﻛُﻞِّ .ٌﺮﻳِﺪَﻗ ٍﺀْﻲَﺷ ﻻَ ﺣَﻮْﻝَ ﻭَﻻَ ﻗُﻮَّﺓَ ﺇِﻻَّ ﺑِﺎﻟﻠَّﻪِ، ﻻَ ﺇِﻟَﻪَ ﺇِﻻَّ
ﺍﻟﻠَّﻪُ، ﻭَﻻَ ﻧَﻌْﺒُﺪُ ﺇِﻻَّ ﺇِﻳَّﺎﻩُ, ﻟَﻪُ ﺍﻟﻨِّﻌْﻤَﺔُ ﻭَﻟَﻪُ ﺍﻟْﻔَﻀْﻞُ ﻭَﻟَﻪُ ﺍﻟﺜَّﻨَﺎﺀُ ﺍﻟْﺤَﺴَﻦُ،
ﻟَﺎ ﺇِﻟَﻪَ ﺇِﻻَّ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻣُﺨْﻠِﺼِﻴﻦَ ﻟَﻪُ ﺍﻟﺪِّﻳﻦَ ﻭَﻟَﻮْ ﻛَﺮِﻩَ ﺍﻟﻜَﺎﻓِﺮُﻭﻥَ ».
(লা ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু ওয়াহ্দাহু লা শারীকা লাহু,
লাহুল মুলকু ওয়া লাহুল হামদু, ওয়া হুয়া ‘আলা কুল্লি শাই’ইন
ক্বাদীর। লা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহি। লা
ইলাহা ইল্লাল্লাহু, ওয়ালা না‘বুদু ইল্লা ইয়্যাহু। লাহুন
নি‘মাতু ওয়া লাহুল ফাদলু, ওয়া লাহুসসানাউল হাসান। লা
ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুখলিসীনা লাহুদ-দ্বীন ওয়া লাও
কারিহাল কাফিরূন)।
৬-(৩) “একমাত্র আল্লাহ ছাড়া কোনো হক্ব ইলাহ নেই, তাঁর
কোনো শরীক নেই, রাজত্ব তাঁরই, সমস্ত প্রশংসাও তাঁর, আর
তিনি সকল কিছুর উপর ক্ষমতাবান। আল্লাহর সাহায্য ছাড়া
(পাপ কাজ থেকে দূরে থাকার) কোনো উপায় এবং (সৎকাজ
করার) কোনো শক্তি নেই। আল্লাহ ছাড়া কোনো হক্ব ইলাহ
নেই, আমরা কেবল তাঁরই ইবাদত করি, নেয়ামতসমূহ তাঁরই,
যাবতীয় অনুগ্রহও তাঁর এবং উত্তম প্রশংসা তাঁরই। আল্লাহ
ছাড়া কোনো হক্ব ইলাহ নেই, আমরা তাঁর দেয়া দ্বীনকে
একনিষ্ঠভাবে মান্য করি, যদিও কাফেররা তা অপছন্দ
করে”।[3]
৭-(4) « ﺳُﺒْﺤَﺎﻥَ ﺍﻟﻠَّﻪِ، ﻭَﺍﻟْﺤَﻤْﺪُ ﻟِﻠَّﻪِ، ﻭَﺍﻟﻠَّﻪُ ﺃَﻛْﺒَﺮُ » (৩৩ বার)
« ﻻَ ﺇِﻟَﻪَ ﺇِﻻَّ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻭَﺣْﺪَﻩُ ﻻَ ﺷَﺮِﻳﻚَ ﻟَﻪُ، ﻟَﻪُ ﺍﻟْﻤُﻠْﻚُ ﻭَﻟَﻪُ ﺍﻟْﺤَﻤْﺪُ ﻭَﻫُﻮَ
ﻋَﻠَﻰ ﻛُﻞِّ ﺷَﻲْﺀٍ ﻗَﺪِﻳﺮٌ ».
(সুবহা-নাল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ, আল্লা-হু আকবার)
(৩৩বার)
(লা ইলা-হা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারীকা লাহু, লাহুল
মুলকু ওয়ালাহুল হামদু ওয়াহুয়া ‘আলা কুল্লি শাই’ইন
কাদীর)।
৮-(৪) “আল্লাহ কতই না পবিত্র-মহান। সকল প্রশংসা
আল্লাহ্র জন্য। আল্লাহ সবচেয়ে বড়।” (৩৩ বার)
“একমাত্র আল্লাহ ছাড়া কোনো হক্ব ইলাহ নেই, তাঁর কোনো
শরীক নেই, রাজত্ব তাঁরই, সকল প্রশংসা তাঁরই এবং তিনি
সবকিছুর উপর ক্ষমতাবান।”[4]
৯-(৫) প্রত্যেক সালাতের পর একবার, সূরা ইখলাস, সূরা আল-
ফালাক ও সূরা আন-নাস:
১0-(5) ﺑِﺴْﻢِ ﺍﻟﻠّٰﻪِ ﺍﻟﺮَّﺣْﻤٰﻦِ ﺍﻟﺮَّﺣِﻴْﻢِ ﴿ﻗُﻞْ ﻫُﻮَ ﺍﻟﻠّٰﻪُ ﺍَﺣَﺪٌ ۚ ﺍَﻟﻠّٰﻪُ
ﺍﻟﺼَّﻤَﺪُ ﻟَﻢْ ﻳَﻠِﺪْ ڏ ﻭَﻟَﻢْ ﻳُﻮْﻟَﺪْ ﻭَﻟَﻢْ ﻳَﻜُﻦْ ﻟَّﻪٗ ﻛُﻔُﻮًﺍ ﺍَﺣَﺪٌ ،﴾ۧ
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম (ক্বুল হুওয়াল্লা-হু
আহাদ। আল্লাহুস্ সামাদ। লাম ইয়ালিদ ওয়া লাম ইউলাদ।
ওয়া লাম ইয়াকুল্লাহু কুফুওয়ান আহাদ)।
রহমান, রহীম আল্লাহর নামে। “বলুন, তিনি আল্লাহ্, এক-
অদ্বিতীয়। আল্লাহ্ হচ্ছেন ‘সামাদ’ (তিনি কারো মুখাপেক্ষী
নন, সকলেই তাঁর মুখাপেক্ষী)। তিনি কাউকেও জন্ম দেন নি
এবং তাঁকেও জন্ম দেয়া হয় নি। আর তাঁর সমতুল্য কেউই
নেই।”
ﺑِﺴْﻢِ ﺍﻟﻠّٰﻪِ ﺍﻟﺮَّﺣْﻤٰﻦِ ﺍﻟﺮَّﺣِﻴْﻢِ ﴿ﻗُﻞْ ﺍَﻋُﻮْﺫُ ﺑِﺮَﺏِّ ﺍﻟْﻔَﻠَﻖِ ﻣِﻦْ ﺷَﺮِّ ﻣَﺎ
ﺧَﻠَﻖَ ﻭَﻣِﻦْ ﺷَﺮِّ ﻏَﺎﺳِﻖٍ ﺍِﺫَﺍ ﻭَﻗَﺐَ ﻭَﻣِﻦْ ﺷَﺮِّ ﺍﻟﻨَّﻔّٰﺜٰﺖِ ﻓِﻲ
ﺍﻟْﻌُﻘَﺪِ
ﻭَﻣِﻦْ ﺷَﺮِّ ﺣَﺎﺳِﺪٍ ﺍِﺫَﺍ ﺣَﺴَﺪَ ،﴾
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম (ক্বুল আ‘উযু বিরব্বিল
ফালাক্ব। মিন শাররি মা খালাক্ব। ওয়া মিন শাররি গা-
সিক্বিন ইযা ওয়াক্বাব। ওয়া মিন শাররিন নাফফা-সা-তি
ফিল ‘উক্বাদ। ওয়া মিন শাররি হা-সিদিন ইযা হাসাদ)।
রহমান, রহীম আল্লাহর নামে। “বলুন, আমি আশ্রয় প্রার্থনা
করছি ঊষার রবের। তিনি যা সৃষ্টি করেছেন তার অনিষ্ট
হতে। ‘আর অনিষ্ট হতে রাতের অন্ধকারের, যখন তা গভীর
হয়। আর অনিষ্ট হতে সমস্ত নারীদের, যারা গিরায় ফুঁক
দেয়। আর অনিষ্ট হতে হিংসুকের, যখন সে হিংসা করে।”
ﺑِﺴْﻢِ ﺍﻟﻠّٰﻪِ ﺍﻟﺮَّﺣْﻤٰﻦِ ﺍﻟﺮَّﺣِﻴْﻢِ ﴿ﻗُﻞْ ﺍَﻋُﻮْﺫُ ﺑِﺮَﺏِّ ﺍﻟﻨَّﺎﺱِ ﻣَﻠِﻚِ
ﺍﻟﻨَّﺎﺱِ
ﺍِﻟٰﻪِ ﺍﻟﻨَّﺎﺱِ ﻣِﻦْ ﺷَﺮِّ ﺍﻟْﻮَﺳْﻮَﺍﺱِ ڏ ﺍﻟْﺨَﻨَّﺎﺱِ ﺍﻟَّﺬِﻱْ ﻳُﻮَﺳْﻮِﺱُ ﻓِﻲْ
ﺻُﺪُﻭْﺭِ ﺍﻟﻨَّﺎﺱِ ﻣِﻦَ ﺍﻟْﺠِﻨَّﺔِ ﻭَﺍﻟﻨَّﺎﺱِ রিনামহার রিহাল্লিমসিব
﴾ۧ রাহীম (ক্বুল ‘আউযু
বিরাব্বিন্না-স। মালিকিন্না-সি, ইলা-হিন্নাসি, মিন
শাররিল ওয়াসওয়া-সিল খান্না-স, আল্লাযি ইউওয়াসউইসু
ফী সুদূরিন না-সি, মিনাল জিন্নাতি ওয়ান্না-স।)।
রহমান, রহীম আল্লাহর নামে। “বলুন, আমি আশ্রয় প্রার্থনা
করছি মানুষের রবের, মানুষের অধিপতির, মানুষের
ইলাহের কাছে, আত্মগোপনকারী কুমন্ত্রণাদাতার অনিষ্ট
হতে; যে কুমন্ত্রণা দেয় মানুষের অন্তরে, জিনের মধ্য
থেকে এবং মানুষের মধ্য থেকে।”[5]
১১-(৬) আয়াতুল কুরসী। প্রত্যেক সালাতের পর একবার। আর
তা হচ্ছে,
১১-(6) ﴿ ﺍَﻟﻠّٰﻪُ ﻟَﺎٓ ﺍِﻟٰﻪَ ﺍِﻟَّﺎ ﮬُﻮَ ۚ ﺍَﻟْـﺤَﻲُّ ﺍﻟْﻘَﻴُّﻮْﻡُ ڬ ﻟَﺎ ﺗَﺎْﺧُﺬُﻩٗ ﺳِـﻨَﺔٌ ﻭَّﻟَﺎ
ﻧَﻮْﻡٌ ۭ ﻟَﻪٗ ﻣَﺎ ﻓِﻲ ﺍﻟﺴَّﻤٰﻮٰﺕِ ﻭَﻣَﺎ ﻓِﻲ ﺍﻟْﺎَﺭْﺽِ ۭ ﻣَﻦْ ﺫَﺍ ﺍﻟَّﺬِﻱْ ﻳَﺸْﻔَﻊُ
ﻋِﻨْﺪَﻩٗٓ ﺍِﻟَّﺎ ﺑِﺎِﺫْﻧِﻪٖ ۭ ﻳَﻌْﻠَﻢُ ﻣَﺎ ﺑَﻴْﻦَ ﺍَﻳْﺪِﻳْﻬِﻢْ ﻭَﻣَﺎ ﺧَﻠْﻔَﮭُﻢْ ۚ ﻭَﻟَﺎ ﻳُﺤِﻴْﻄُﻮْﻥَ
ﺑِﺸَﻲْﺀٍ ﻣِّﻦْ ﻋِﻠْﻤِﻪٖٓ ﺍِﻟَّﺎ ﺑِﻤَﺎ ﺷَﺎۗﺀَ ۚ ﻭَﺳِﻊَ ﻛُﺮْﺳِـﻴُّﻪُ ﺍﻟﺴَّﻤٰﻮٰﺕِ ﻭَﺍﻟْﺎَﺭْﺽَ ۚ
ﻭَﻟَﺎ ﻳَـــــُٔـــﻮْﺩُﻩٗ ﺣِﻔْﻈُﻬُﻤَﺎ ۚ ﻭَﮬُﻮَ ﺍﻟْﻌَﻠِﻲُّ ﺍﻟْﻌَﻈِﻴْﻢُ ٢٥٥ .﴾
(আল্লা-হু লা ইলা-হা ইল্লা হুওয়াল হাইয়্যূল কাইয়্যূমু লা
তা’খুযুহু সিনাতুঁও ওয়ালা নাউম। লাহূ মা-ফিসসামা-ওয়া-তি
ওয়ামা ফিল আরদ্বি। মান যাল্লাযী ইয়াশফা‘উ ‘ইনদাহূ
ইল্লা বিইযনিহী। ইয়া‘লামু মা বাইনা আইদীহিম ওয়ামা
খালফাহুম। ওয়ালা ইয়ুহীতূনা বিশাইইম মিন্ ইলমিহী ইল্লা
বিমা শাআ। ওয়াসি‘আ কুরসিয়্যুহুস সামা-ওয়া-তি ওয়াল
আরদ্ব। ওয়ালা ইয়াউদুহূ হিফযুহুমা ওয়া হুয়াল ‘আলিয়্যূল
‘আযীম)।
“আল্লাহ্, তিনি ছাড়া কোনো সত্য ইলাহ্ নেই। তিনি
চিরঞ্জীব, সর্বসত্তার ধারক। তাঁকে তন্দ্রাও স্পর্শ করতে
পারে না, নিদ্রাও নয়। আসমানসমূহে যা রয়েছে ও যমীনে
যা রয়েছে সবই তাঁর। কে সে, যে তাঁর অনুমতি ব্যতীত তাঁর
কাছে সুপারিশ করবে? তাদের সামনে ও পিছনে যা কিছু
আছে তা তিনি জানেন। আর যা তিনি ইচ্ছে করেন তা ছাড়া
তাঁর জ্ঞানের কোনো কিছুকেই তারা পরিবেষ্টন করতে পারে
না। তাঁর ‘কুরসী’ আসমানসমূহ ও যমীনকে পরিব্যাপ্ত করে
আছে; আর এ দুটোর রক্ষণাবেক্ষণ তাঁর জন্য বোঝা হয় না। আর
তিনি সুউচ্চ সুমহান।”[6]
১২-(7) « ﻻَ ﺇِﻟَﻪَ ﺇِﻻَّ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻭَﺣْﺪَﻩُ ﻻَ ﺷَﺮِﻳﻚَ ﻟَﻪُ، ﻟَﻪُ ﺍﻟْﻤُﻠْﻚُ ﻭَﻟَﻪُ ﺍﻟْﺤَﻤْﺪُ
ﻳُﺤْﻴِﻲ ﻭَﻳُﻤِﻴﺖُ ﻭَﻫُﻮَ ﻋَﻠَﻰ ﻛُﻞِّ ﺷَﻲْﺀٍ ﻗَﺪِﻳﺮٌ »
(লা ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু ওয়াহ্দাহু লা শারীকা লাহু,
লাহুল মূলকু ওয়ালাহুল হাম্দু ইয়ুহ্য়ী ওয়াইয়ূমীতু ওয়াহুয়া
‘আলা কুল্লি শাই’ইন ক্বাদীর)।
৭২-(৬) “একমাত্র আল্লাহ ছাড়া কোনো হক্ব ইলাহ নেই, তাঁর
কোনো শরীক নেই, রাজত্ব তারই এবং সকল প্রশংসা তাঁর।
তিনিই জীবিত করেন এবং মৃত্যু দান করেন। আর তিনি সকল
কিছুর উপর ক্ষমতাবান”।
মাগরিব ও ফজরের নামাযের পর উপরোক্ত যিকর ১০ বার
করে করবে।[7]
১৩-(8) « ﺍﻟﻠَّﻬُﻢَّ ﺇِﻧِّﻲ ﺃَﺳْﺄَﻟُﻚَ ﻋِﻠْﻤﺎً ﻧﺎﻓِﻌﺎً، ﻭَﺭِﺯْﻗﺎً ﻃَﻴِّﺒﺎً، ﻭَﻋَﻤَﻼً
.» ﻣُﺘَﻘَﺒَّﻼً
(আল্লা-হুম্মা ইন্নী আস্আলুকা ‘ইলমান না-ফি‘আন্ ওয়া
রিয্কান ত্বায়্যিবান ওয়া ‘আমালান মুতাক্বাব্বালান)।
৭৩-(৮) “হে আল্লাহ! আমি আপনার নিকট উপকারী জ্ঞান,
পবিত্র রিযিক এবং কবুলযোগ্য আমল প্রার্থনা করি।”
এটি ফজর নামাযের সালাম ফিরানোর পর পড়বে।[8]
[1] মুসলিম ১/৪১৪, নং ৫৯১। [2] বুখারী ১/২২৫, নং ৮৪৪;
মুসলিম ১/৪১৪, নং ৫৯৩। আর দু ব্রাকেটের মাঝের অংশ
বুখারীতে বর্ধিত এসেছে, নং ৬৪৭৩। [3] মুসলিম ১/৪১৫, নং
৫৯৪। [4] মুসলিম, ১/৪১৮, নং ৫৯৭; আর তাতে রয়েছে, যে
ব্যক্তি প্রতি নামাযের পরে সেটা বলবে, তার পাপরাশি
ক্ষমা করে দেওয়া হয়, যদিও তা সমুদ্রের ফেনারাশির মত
হয়। [5] আবু দাঊদ ২/৮৬, নং ১৫২৩; তিরমিযী, নং ২৯০৩;
নাসাঈ ৩/৬৮, নং ১৩৩৫। আরও দেখুন, সহীহুত তিরমিযী, ২/
৮। আর উপর্যুক্ত তিনটি সূরাকে ‘আল-মু‘আওয়াযাত’ বলা হয়।
দেখুন, ফাতহুল বারী, ৯/৬২। [6] হাদীসে এসেছে, “যে
ব্যক্তি প্রত্যেক সালাতের পরে এটি পড়বে, তাকে মৃত্যু
ব্যতীত জান্নাতে প্রবেশে আর অন্য কিছু বাধা হয়ে
দাঁড়াবে না।” নাসাঈ, আমালুল ইয়াওমি ওয়াল্লাইলাহ, নং
১০০; ইবনুস সুন্নী, নং ১২১। আর শাইখ আলবানী
হাদীসটিকে সহীহুল জামে‘ ৫/৩৩৯ তে এবং সিলসিলাতুল
আহাদীসিস সহীহা ২/৬৯৭, নং ৯৭২ তে সহীহ বলেছেন। আর
আয়াতটি দেখুন, সূরা আল-বাকারাহ্-২৫৫। [7] তিরমিযী
৫/৫১৫, নং ৩৪৭৪; আহমাদ ৪/২২৭, নং ১৭৯৯০। হাদীসটির
তাখরীজের জন্য আরও দেখুন, যাদুল মা‘আদ ১/৩০০। [8] ইবন
মাজাহ্, নং ৯২৫; নাসাঈ, তাঁর আমালুল ইয়াওমি
ওয়াল্লাইলাহ গ্রন্থে, হাদীস নং ১০২। আরও দেখুন, সহীহ
ইবন মাজাহ, ১/১৫২; মাজমাউয যাওয়াইদ, ১০/১১১।
তাছাড়া অচিরেই ৯৫ নং হাদীসেও আসবে।

আজকের আইডিয়ার নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url