ইমাম আবু হানিফা রাঃ | শরিফ গাজী অফিসিয়াল

ইমাম আবু হানিফা রাঃ

ইমাম অাবু হানিফা (রাহঃ) এর সংক্বিপ্ত জীবনী
========================
ﺑِﺴْﻢِ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﺍﻟﺮَّﺣْﻤَٰﻦِ ﺍﻟﺮَّﺣِﻴﻢِ
শুরু করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময়, অতি দয়ালু।
========================
প্রথমেই বলেদিচ্ছি যে,যে কোন মুসলিমদের সাথে শত্রুতা
রাখা, হিংসা রাখা,বিদ্ধেষ রাখা হচ্ছে গুনাহের কাজ।
কিন্ত কেউ যদি মুসলিমের সাথে সাথে অাল্লাহর কোন নেক
বান্দা হন,সালাফে সালিহীন হন,তাবেঈন হন,অাইম্মায়ে
কেরাম হন, তাহলে তাদের সাথে সত্রুতা রাখা, হিংসা
বিদ্ধেষ রাখা কেমন? তাদের সাথে হিংসা বিদ্ধেষ রাখা
হচ্ছে এমন যে নবী (সাঃ) বলেছেনঃ
“আল্লাহ তা‘আলা বলেন:(হাদীসে কুদসীতে) যে আমার অলির
(অর্থাৎ কোন নেক বান্দাদের) সাথে দুশমনি করবে তার
সাথে যুদ্ধের ঘোষণা করেছি।(বুখারী) তাহলে তাদের সাথে
সত্রুতা রাখাটা হচ্ছে অারো বড় গুনাহের কাজ। এ সমস্ত কাজ
হতে অাল্লাহ পাক যেন মুমিনদেরকে হেফাজত করেন (অামীন)
তো যাইহুক ইমাম অাবু হানিফা (রাহঃ) এর সংক্বিপ্ত জীবনী
অাপনাদের সামনে তুলে ধরা হল,এর বেশী যারা জানতে
চাইবেন,তাদের জন্য কিতাব রয়েছে বিভিন্ন অাইম্মায়ে
কেরাম তার জীবনী সম্পর্কে বিভিন্ন কিতাব লিখেছেন,
যেমন ইমাম দারেমী (রাহঃ) তার জীবনীর উপর একটি
কিতাব লিখেছেন।ইমাম
খতীব বাগদাদী তার প্রশিদ্ধ একটি কিতাব রয়েছে
"তারীখে বাগদাদী "
সেই কিতাব গুলি পড়লে তার জীবনী সম্পর্কে বিস্তরিত
জানতে পারবেন।
======================== পথম কথা হল
যে,অাইম্মায়ে কেরাম অামাদেরকে কি দিয়েগেছেন,তাদের
অাদর্শ কি ছিল,কোন কোন ক্বেত্রে অামরা তাদের অনুকরন
করতে পারব,তাদের কাছথেকে অামরা কি ভাবে উপকৃত হব।এই
বিষয়গুলি হচ্ছে অামাদের জানার বিষয়,মানার
বিষয়,অামলের বিষয়,অামাদের কর্ম জীবনের সাথে
অামাদের অাক্বীদা এবং অামল এবং কর্মের সাথে সম্পর্ক
রয়েছে।সুতরাং সে গুলিই অামাদেরকে জানতে হবে,শিখতে
হবে।যাতে অামাদের দুনিয়াতে কর্ম জীবনে কাজে
অাসে,এবং অাখেরাতে অামাদের সে গুলি কাজে লাগে।
ইমাম অাবু হানিফা (রাহ)। অাবু হানিফা এটা তার
কুনিয়্যাত,উপনাম।কুনিয়্যাত হয় সাধারনত ছেলের নাম বা
মেয়ের নাম দিয়ে।অামাদের দেশে যেমন বলে যে,অমুকের
পিতা,অমুকের অাব্বা ইত্যাদী।তো এই যে অাব্বাদিয়ে যে
সম্পর্কটি হয় নামের সাথে সেটাকেই বলা হয় কুনিয়্যাত,বা
উপনাম।তার অাসল নাম ছিল "নুমান " অার তার পিতার নাম
ছিল "সাবিত " নুমান বিন সাবিত।তার দাদার নাম ছিল
যুতী, তার দাদা পারস্ব দেশের মানুষ ছিলেন।এবং তিনি
যেমন রেওয়ায়েত রয়েছে ইমাম দারেমী (রাহ) বলেছেন
যে,সে কৃষ্টান ছিল,অথবা কারো কারো মতে সে মাজুস ছিল।
কারন পারশ্ব দেশের মানুষ অধিকাংশই অগ্নিপুজক।তাকে
তাইমীও বলা হয়। তাইমী ছিল একটি গুত্র,অারবদের একটি
গুত্র ছিল,তাইম বিন তাঅালাব গুত্র।এই গুত্রের হাতে তার
পিতা সাবেত ইসলাম গ্রহন করেছিলেন,মুসলমান হয়েছিলেন।
তাহলে ইমাম অাবু হানিফা (রাহ) এর পিতার নাম সাবেত
তিনি ইসলাম গ্রহন করেছিলেন,তার দাদা ইসলাম গ্রহন
করতে পারেন নি,ইসলামের যামানা পেয়েছেন কিন্ত ইসলাম
গ্রহন না করেই সে কুফুরী অবস্তায় মারা গিয়েছিলেন।
অারবদের মধ্যে প্রাচীন যোগে একটি প্রথা ছিল,যে কোন
ব্যক্তি যদি কোন বংশের কোন অালেম বা কোন ব্যক্তির বা
কোন মানুষের হাতে ইসলাম গ্রহন করে,তাহলে তার সাথে
সম্পৃত্য করা হয় পরিচয়ের দিক দিয়ে,এটি বংশ পরিচয় নয়
কিন্ত ইসলাম গ্রহনের সম্পর্ক, যা পরবর্তী কালে শেষ হয়ে
গিয়েছে।অাজকাল এমন হয় না যে অামাদের কাছে কেউ
ইসলাম গ্রহন করল সুতরাং অামার বংশের দিকে সে সম্পৃত্য
হতে লাগল,সেটা নেই কিন্ত অাগে ছিল।যেমন ইমাম বুখারী
রাহ এর পূর্ব পুরুষ মুসলমান হয়েছিলেন যউফ বংশের
হাতে,সুতরাং এজন্য তাকে যউফি বলা হয়,বুখারীর সাথে
যউফি বলা হয়। ইমাম অাবু হানিফা (রাহ) কে এজন্য তাইমী
বলা হয় যে,তাইম বিন সালাবা বংশের কোন বিশিষ্ট
ব্যক্তির হাতে তার পিতা সাবেত ইসলাম গ্রহন করেছিলেন।
ইমাম অাবু হানিফা (রাহ) কে বলা হয় ইমামু অাহলুর
রায়,এবং ফাকিহু অাহলে ইরাক,ইরাকের বিশিষ্ট ফকিহ্
বিদ্ধান বলা হয়।ইরাকে যতগুলি ফুকাহায়ে কেরাম এসেছেন,
তাদের মধ্যে তিনি অন্যতম শ্রেষ্ট ব্যক্তি।সে জন্য তাকে
ইরাক বাসির ফাকিহ বলা হয়।এবং অাহলে রায়দের ইমাম
এজন্য বলা হয় যে তাবেইনদের যোগথেকে শুরু হয়েছে এই
যোগটি,এবং তাবে তাবেইনের বিষয়টি অারো স্পষ্ট হয়েছে।
যে ওলামায়ে কেরাম সেই যোগে দুই ভাগে ভিবক্ত হন। এক
ধরনের ওলামারা হাদীস চর্চায় বেশী প্রাধান্যদেন,হাদীস
চর্চা,হাদীস মুখস্ত করা, হাদীস সুনা হাদীস শিক্বাদেয়া,
হাদীসের জন্য ভিবিন্ন সহরে ঘুরা ফেরা করা,কারন তখন
পর্যন্ত হাদীসগুলি কিতাবের অাকাঁরে সংকলিত হয়নি,সুতরাং
হাদীস সুনার জন্য ভিবিন্ন শহরে যেতে হত। চলে গেলেন
সাম দেশে সাম দেশে ভিবিন্ন সহরে কিছু কিছু হাদীস
পাওয়া গেল, সেখানে তাবেইনরা রয়েছেন,তাদের কাছে কিছু
হাদীস পাওয়া গেল, অাবার চলে গেলেন মিশর,সেখানে
গিয়ে কিছু হাদীস পাওয়া গেল, গেলেন মক্বা মদীনায়,
সেখানে কিছু হাদীস পাওয়া গেল,গেলেন বাগদাদে সেখানে
গিয়ে কিছু হাদীস পাওয়া গেল, এভাবে ভিবিন্ন সহরে ঘুরে
ঘুরে লোকদের কাছথেকে যেখানে সুনতে পেতেন অমুক জায়গায়
অাছে কিছু হাদীসের পন্ডিত তাদের কাছে কিছু হাদীস অাছে
এভাবে করে তারা হাদীস সংগ্রহ করতেন।অার সে সময়ের
হাদীস অাজকের যামানার মত নয়,তখন সনদ সহ,যেই ব্যক্তি
সুনাচ্ছে হাদীস তাকে একথা বলতে হতো অাপনি কার
কাছথেকে সুনেছেন,এত টুকুই যতেষ্ট নয়,অাপনার ওস্তাদ যার
কথা বলছেন,তিনি কার কাছথেকে সুনেছেন, তার পর তিনি
কার কাছথেকে সুনেছেন, তার পর তাবেইর নাম অাসত, তার
পর সাহাবীর নাম অাসল, সাহাবী নবী (সাঃ) থেকে সুত্র সহ
সনদসহ প্রমান করে বলতে হবে যে অামি হাদীস সুনেছি,
তারপর সনদ যদি সে মিথ্যা কথা বলে তাহলে হাদীস
জাল,এমনও হতে পারে যে কিছু মিথ্যুক,অথবা সৃতি শক্তির
দিক দিয়ে,সে দুর্বল,হয়তো ইচ্ছে করে মিথ্যে না বল্লেও
সৃতি শক্তি দুর্বল ভাল করে মুখস্ত করেনি,কি বলতে কি বলে
ফেল্ল, তারেক এর জাগায় ফারেক করে ফেল্ল,অাব্দুল্লাহর
জাগায় অাব্দুল খালেক করে দিল, তো ঐ রখম যাদের হাদীস
গুলি হয়েছে,তাদের হাদীস যঈফ হয়েছে। তো এক শ্রেনীর
ওলামারা এই ভাবে হাদীস চর্চা করতেন,হাদীস খুজে
বেড়াতেন,তার পর হাদীস সংকলনের যোগ শুরু হল,ইমাম
মালেক (রাহ) সংকলন করলেন মুয়াত্তা।তার পর ইমাম বুখারী
(রাহ) এর অাসল। এই শ্রেনীর ওলামায়ে কেরাম তারা
হাদীসের দিকে যোক দিলেন বেশী। অারেক শ্রেনীর
ওলামায়ে কেরাম ফুকাহায়ে কেরাম তারা ফিকহের দিকে
যোক দিলেন।হাদীসের জন্য দৌড়া দৌড়ি,ছুটা ছুটি হয়তো কম
করেছন কিন্ত হাদীস থেকে মাসালা মাসায়েল ইস্তেম্বাদ
করা,হাদীস থেক মানুষের সমস্যার সমাধান দেয়া,লোকজন
অাসছে জিজ্ঞাসা করছে, যে অামার এই সমস্যা এই
মাসালা,এর উত্তর কি হবে,উত্তর দিতে হবে,সামনে অাছে
কুরঅান এবং হাদীস, অাজকের যামানার মত সংকলিত নেই
হাদীস,যে কিতাব খুজলাম,অার সিডিতে নাম্বার টিপ দিলাম
অার হাদীস চলে অাসল,তার পর ফিকহের কিতাব নেই, যে
মাসালা মাসায়েলের কিতাব রয়েছে,অার ফতুওয়ার কিতাব
রয়েছে, খুজলাম খুজতে খুজতে এই মাসালার উপর যে গুলি পেতে
পাড়ি খুজে বের করে নিলেন, বর্তমানে অনেক সহজ ব্যাপার,
তখনকার যোগে এমন কিছু নেই।অাপনার কাছে এসেছে একজন
অালেম হিসাবে যে,অাপনার কাছে এই সমস্যার সমাধান
দেয়া চাই,এর মাসালা গুলি অামরা জানতে চাই, যে অামার
নামাযের মাসালা,রোযার মাসালা,যাকাতের মাসালা,তখন
তারা ফিকহি মাসালা হাদীস থেকে গ্রহন করে চর্চা
ইস্তেম্বাদ শুরু করলেন।অার এই দিক দিয়ে যখন তারা
প্রাধান্য দিলেন, হাদীস চর্চা তো তাদের কম হতে লাগল
এবং এই রখম করতে গিয়ে অনেক সময় প্রাধান্য দিয়েছেন
যুক্তিকে,রায় মানে হচ্ছে মত,ব্যক্তিগত মত,অনেক সময় মতকে
কিয়াসকে যুক্তিকে প্রাধান্য দিয়েছেন,হয়তো হাদীসের
ক্বেত্রে ঐ রখম পরিশ্রম করা হয়নি মেহনত করা হয়নি
সুতরাং দেখাযাক এ মর্মে যদি হাদীস পাওয়া যায় নবী সঃ
এর,এ মর্মে যদি সাহাবায়ে কেরামের মন্তব্য পাওয়া যায়,এ
মর্মে সাহাবায়ে কেরাম কি বলেছেন এই মর্মে তাবেইনরা
কি বলেছেন,এটি হয়তো না দেখে যুক্তিকে অনেক সময়
প্রাধান্য দেয়া হয়েছে।তাই তাদেরকে অাহলুর রায় বলা
হত।ইমাম তিরমিযী (রাহ) অাহলুর রায়দের কথা খুব বেশী
বেশী তিরমিযীতে উল্লেখ করেছেন।তাহলে ঐ যামানার
অালেমরা দুই ভাগে ভিবিক্ত হন।অাহলুল হাদীস, যারা বেশী
বেশী হাদীসের খেদমত করেছেন,হাদীস চর্চা করেছেন।অার
অাহলুর রায় যারা ফিকহের বেশী বেশী খেদমত করেন,এই
কেত্রে যুক্তিকে অনেক সময় প্রাধান্য দেন,কারন মাসলা
মাসায়েল এসেছে,অার এই সম্পর্কে হয়তো হাদীস জানা নেই।
যখন একটি মাসালায় হাদীস জানা অাছে যেই
মাসালাটি,এখন যেই মাসালাটি এসেছে নতুন মাসালা তার
কাছা কাছি,তখন তারা কিয়াস করেছেন বেশী,যার ফলে
তাদের নাম ইতিহাসের পাতায় অাসছে অাহলুর রায়।এই
হচ্ছে অাহলুর রায় এবং অাহলুল হাদীসের পার্থক্য।
তো ইমাম অাবুহানিফা (রাহ)কে বলা হয়েছে অাহলুর রায়।
তিনি ছিলেন কুফার লোক, কিন্তকুফাথেকেখলিফামানসুর
দ্বিতীয় খলিফা অাব্বাসীর খেলাফতের যামানায় উমাইয়া
গুত্র শেষ হয়ে গেল ১৩২ হিজরিতে তার পর শুরু হল
অাব্বাসীর খেলাফতের যোগ, যখন অাব্বাসীর খেলাফতের
যোগ অাসল,তখন প্রথম যার যোগ অাসল সে গেল,তার পর
দ্বিতীয় ব্যক্তি হচ্ছেন এই অাব্বাসী খেলাফতের খলিফা
মানসুর,খলিফা মানসুর অাবুযাফর মানসুর, তিনি বাগদাদে
নিয়ে অাসলেন ইমাম অাবু হানিফা (রাহ)কে, কারন বাগদাদ
হচ্ছে তখনকার রাজধানী।রাজধানীতে এই রখম ব্যক্তির
প্রয়োজ রয়েছে কারন সেখানে সবাই এসে উপস্তিত
হবে,কারন অাজকাল তো বুজতেই পাড়ছেন যে,একজন মানুষ যদি
ভাল সহরে থাকে তাহলে অনেক উপকার হবে যদি সে উম্মতকে
উপকৃত করতে পারে যদি সে কিছু দিতে পারে,কিন্ত যদি
গ্রামে বসে থাখেন,ঘরে বসে থাকেন তাহলে তার সাথে
লোকের যোগা যোগ হয়তো সম্বভ হবে না,তো অাবু যাফর
মানসুর ইমাম অাবু হানিফাকে নিয়ে অাসলেন
বাগদাদে,এখানে এসে তিনি বাকী জীবনটা অবস্তান
করেছেন সেখানেই তার ইন্তেকাল হয়েছিল।ইমাম দারেমী
(রাহ) বলেছেন যে যখন ইমাম অাবু হানিফা রাহ এর জন্ম হয়
তখন তার পিতা খৃষ্টান ছিল, পরে সাবেত মুসলমান হয়ে
গিয়েছিলেন।অার ইমাম অাবু হানিফা (রাহ) এর দাদা যুতী
তার সম্পর্কে লিখেছেন ইমাম খাতিব বাগদাদী যে তিনি
কাবুলের ছিলেন,কাবুল হচ্ছে অাফগানিস্তানের রাজধানী।
অার কাবুল অাফগানিস্তান থেকে শুরু করে ইরাক পর্যন্ত
বিশাল এলাকানিয়ে ফারসি ভাষা ছিল,বর্তমান যোগের
ফার্সি ভাষা সিমিত শুধু ইরানেরই হয়ে গেছে।ইমাম অাবু
হানিফা (রাহ)তিনি পেশাগত দিক দিয়ে একজন কাপরের
ব্যাবসায়ী ছিলেন,এবং তিনি অনেক পয়সার মালিক
ছিলেন,যার ফলে তিনি অনেক এতীম,বিধবা,গরীব, এবং বহু
গরীব ছাত্রদের তিনি লালন পালন করতেন,দেখা সুনা
করতেন,তাদের ভরন পুষন দিতেন,তাদের লিখা পড়ার খর্চ
দিতেন,তাদের মধ্যে অন্যতম হচ্ছেন তার প্রথম নাম্বারের
ছাত্র,এক নাম্বারের ছাত্র তার হচ্ছে ইমাম অাবু ইউসুফ
(রাহ)তিনি অত্যন্ত গরীব এবং এতীম ছিলেন,তিনি ছোট
থেকে বড় হওয়া পর্যন্ত সমস্ত খর্চ,ভরন পুষন দিয়ে পড়া সুনা
করিয়েছেন ইমাম অাবু হানিফা রাহ।এবং তার একটি দোখান
ছিল,এটি প্রশিদ্ধছিল ব্যবসায়। ইমাম অাবু হানিফা (রাহ)
কে দুই বার বিচার প্রতি নিয়োগ করার জন্য সরকারী ডাক
হয়েছে,তার মধ্যে একবার হয়েছে উমাইয়া যোগের শেষ
অামলে।অার অারেকবার ডাক হয়েছে অাব্বাসীর যোগে।
তাহলে অাব্বাসীর যোগ অার উমাইয়া যোগটা বুঝতে হলে
ইমাম অাবু হানিফা রাহ এর জন্ম বলে দেয়া ভাল,ইমাম অাবু
হানিফা রাহ এর জন্ম হচ্ছে ৮০ হিজরিতে অর্থাৎ নবী (সাঃ)
এর হিজরতের ৮০ বৎসর পরে তার জন্ম হয়েছে।অার উমাইয়া
বংশের খেলাফতের প্রথম ঘটেছে ১৩২ হিজরিতে,তাহলে ১৩২
বৎসর পর ইমাম অাবু হানিফা ( রাহ) এর বয়স কত হতে পাড়ে?
৫২ বৎসর বয়স।শেষ যামানায় উমাইয়া গুত্রের খেলাফতের,
তাকে ইবনে হুবায়রা বলে একজন শাসক ছিল,কুফার গভর্ণার
উমাইয়া গুত্রের রাজত্বকালে।তখন উমাইয়া গুত্রের
রাজধানী ছিল শামদেশের দামেশকে।ইবনে হুবাইরা অাবু
হানিফা ( রাহ) কে বল্লেন যে, অাপনাকে কাযা হতে
হবে,অর্থাৎ অাপনাকে বিচার প্রতি হতে হবে কুফার,কিন্ত
তিনি অস্বীকার করলেন যে না,অামি কাযা গ্রহন করতে
পারবো না,মানুষের বিচার অামি করবো না।(কারন বিচার
করতে গিয়ে গায়েব জানিনা অদৃশ্য জানি না,সাক্বীর
বিত্তিতে বিচার করব,হতে পারে যে সাক্বী নিয়েছে সে
মিথ্যুক,অামি তো দেখলাম যে সাক্বী নিয়েছে তার পক্বে
রায় দিতে হবে,কারন তার কাছ সাক্বী অাছে,অারেকজনের
কাছে সাক্বী নেই,এজন্য নেক ওলামাগন যারা ওলামায়ে
কেরাম তারা কাযাকে নিতে চাননি বিচার ভিবাগ নিতে
চাননি) ইমাম অাবু হানিফা রাহ যখন অস্বীকার করলেন,
তখন শাসক ইবনে হুরায়রা তাকে ১১০ টি খুড়া
লাগিয়েছিল,কসাঘাত করেছিল এই যুলম অত্যাচার করেছিল।
প্রত্যেক দিন তাকে বাহিরে নিয়ে অাশা হতো,এবং ১১০ টি
করে খুড়া লাগানো হত।অার শিকার করা হত যে,অাপনি কাজী
হবেন কি না বলেন।কিন্ত তার পরেও তিনি তা গ্রহন করতে
অস্বীকার করলেন।যখন দেখল যে প্রতিদিন ১১০ খুড়া
লাগানোর পরেও শিকার করাতে পাড়লনা বিচার প্রতি
বানানোর জন্য তখন জেল থেকে রেহাই দিয়ে দিল।এই ইবনে
হুবায়রা মারওয়ান বলে একজন শেষ যামানায় উমাইয়া
যোগের শেষ যোগে মারওয়া বলে একজন খলিফা হয়েছিলেন
তার পক্ব থেকে গভর্ণর ছিলেন কুফার ইবনে হুবায়রা।(ইমাম
অাহমদ বিন হাম্বল (রাহ) তার যামানায় যখন তার উপর
যুলম অত্যাচার হয়েছিল অাব্বাসীর পক্বথেকে যারা
মুহতাজেলা ছিল,অাক্বীদার কেত্রে যারা বিভ্রান্ত হয়ে
গিয়েছিল,তাদের পক্বথেকে এবং জেলে তার উপর যুলম
হয়েছিল এবং খুড়া লাগানো হয়েছিল,তখন তিনি ইমাম অাবু
হানিফার কথা মনে পড়লেই তিনি কেধেঁ ফেলে দিতেন,এবং
তিনি রহমতের দোয়া দিতেন "রাহমাতুল্লাহি অালাইহি
"বলে বার বার দোয়া দিতেন।কারন ইমাম অাহমদ (রাহ) ঐ
রখমি অত্যাচারে শিকার হয়েছিলেন,যেমন ইমাম অাবু
হানিফা রাহ এর উপর হয়েছে। দ্বিতীয়বার অাবিযাফর
মানসুরের যামানায়,অর্থাৎ অাব্বাসীর যোগে ইমাম অাবু
হানিফা রাহ কে বিচার প্রতি হিসাবে ডাকা হল যে,
বাগদাদে অাপনাকে প্রধান বিচারপ্রতি হতে হবে।কিন্ত
তিনি অস্বীকার করলেন,তখন তাকে জেলে বন্দি করে দিল
অাবু যাফর মানসুর।একবার কসাগাত করা হয়েছে,অারেকবার
জেলে বন্দি করা হয়েছে।তার পর একদিন ডেকে অাবার
জিজ্ঞাসা করল,ভাবল যে জেলে বন্দি করে দিয়ে হয়তো ভয়
পেয়ে যাবে,ডেকে বল্লঃ অামরা যে তুমাকে বিচার ভিবাগে
দিতে চাইছি এই কেত্রে অাপনি মেনে নিতে চান না কেন?
তিনি বল্লেনঃ ইয়া অামীরুল মুমিনিন! অাল্লাহ অাপনাকে
ভাল রাখুন, সঠিক পথে রাখুন, অামি বিচারের যোগ্য নই
অামি বিচার করতে পারব না।অামার মধ্য এই যোগ্যতা নেই,
কে বলছেন? ইমাম অাবু হানিফা (রাহ) বলছেন যে,অামি
বিচার করতে পারব না অামার মধ্যে এই যোগ্যতা নেই(কিন্ত
তার মধ্যে যতেষ্ট যোগ্যতা থাকার পরেও বলছেন অামার
মধ্যে যোগ্যতা নেই)
অার অাজকের যোগে অামাদের সমাজে যারা সালিশ করে
গ্রাম্য বিচার চ্যায়ার ম্যান থেকে শুরু করে নেতা মেম্বার
গুলি থেকে শুরু করে অার ঐ মন্ডল মাতব্বর, সরদার থেকে শুরু
করে,তাদের কথা বলেন যে,কি অবস্তা,যদি কোথাও বিচারের
সুযোগ পেয়ে যায়,তাহলে তো অাগেই হাজীর,অাগেই হাটতে
হবে খুশীর শেষ নাই যে,বিচার করতে পারব।অাবার ঐ সব
বিচারে অাগে থেকেই তারা সিদ্ধান্ত নিয়ে নিছে
যে,বিচারে কাকে হারাতে হবে অার কাকে জীতাতে হবে।
এই হচ্ছে অামাদের দেশের সামাজীক বিচার যাকে সালিশ
বলা হয়।অার মানব রচিত বিধান দিয়ে কোর্টে যে বিচার
হচ্ছে তার কথা তো বুঝতেই পড়ছেন যে,মানব রচিত বিধান
দিয়ে কি করে মানুষ শান্তি পেতে পাড়ে,কখনও শান্তি
অাসতে পাড়ে না,যাদেরকে অাল্লাহ ফাসেক বলেছেন,যালিম
বলেছেন যাদেরকে অারো অাল্লাহ পাক কঠিন ভাষা দিয়ে
বলেছেন, যদি তারা অাল্লাহ পাকের বিধানকে অচল মনে
করে,অযোগ্য মনে করে বা অস্বীকার করে, তাহলে অাল্লাহ
পাক কাফেরও বলেছেন,তাহলে তাদের দ্বারা অার কি ভাবে
শান্তি হতে পাড়ে) যাই হুক।যখন কুরঅান এবং হাদীস দারা
অাব্বাসীর যোগে উমাইয়াদের যোগে তখন মানব রচিত
বিধান দিয়ে বিচার ফায়সালা হতো না,তখন কুরঅান সুন্নাহ
দিয়েই বিচার ফায়সালা হতো ফিকহ্ দিয়েই বিচার হত সেই
যোগে তিনি বলছেন যে,অামি বিচার করার যোগ্যতা রাখি
না।তখন খলিফা মানসুর বলছেন যে,অাপনি মিথ্যে কথা
বলছেন।দ্বাতীয় বার অাবার বলছেন যে অাপনাকে বিচার
প্রতি হতে হবে,তখন ইমাম অাবু হানিফা রাহ বলেছেন, হে
অামিরুল মুমিনিন , অাপনিই তো ফায়সালা করে দিয়েছেন যে
অামি বিচারের যেগ্যতা রাখি না, তিনি বল্লেনঃকেমন
করে? অাবুহানিফা বলছেন এই যে অাপনি অামাকে বল্লেন যে
তুমি মিথ্যে বেলছ, যে ব্যক্তি মিথ্যা বলতে পারে সে
ব্যাক্তি বিচার প্রতি হতে পারে না।অাপনিই বলছেন যে
অামি মিথ্যে বলছি,যে ব্যাক্তি মিথ্যুক হতে পারে সে কি
করে অন্যের হক্ব বিচার করবে,অামার মধ্য এই যোগ্যতা
নেই।সুতরাং অামি যদি সত্যিই মিথ্যুক হয়ে থাকি যেমনটি
অাপনি বলেছেন তাহলে অামি কখনই বিচার করার যোগ্যতা
রাখিনা, অার যদি সত্যবাদী হই তাহলে অাপনাকে বলে
দিচ্ছি যে,অামি সত্যবাদী,অামি বিচার করার যোগ্যতা
রাখি না,অামি যে কথাটা বলেছি অাপনি অামার পক্বথেকে
সেই কথাটিই গ্রহন করুন অামাকে বিচার প্রতি হওয়ার জন্য
বাধ্য করিয়েন না।তখন খলিফা মানসুর ছাড়লেন না, তাকে
জেলে বন্দি করে দিলেন যে তুমি জেলেই থাক।এই ভাবে
ওলামায়ে কেরাম অাইম্মায়ে কেরাম তাদের উপর যুলম
অত্যাচার হয়েছে,কিন্ত তারা হক্বের উপর ছিলেন,ঈমানের
হেফাজতের জন্য তারা অঠল থেকেছেন,বিচার বিভাগে যাব
অামার দারা কত লোকের উপর যুলম অত্যাচার হবে কত লোকের
হক্ব নষ্ট হবে কত যে গুনাহ অামার হবে,কাল কিয়ামতে
কাটগড়ায় অামাকে দাড়াতে হবে যার উপর যুলম হয়েছে হক্ব
নষ্ট হয়েছে বা ঠিক বিচার অামি করতে পারিনি ১৬ অানা,
তারা এসে অাল্লাহর সামনে যখন অামার বিরুদ্ধে অভিযোগ
করবে তখন অামি কি জবাব দেব অাল্লাহ পাকের কাছে
সুতরাং এই ভাবে তারা কাযাকে অস্বীকার করেছেন।ইমাম
অাবু হানিফা রাহ এর ইন্তেকাল হচ্ছে ১৫০ হিজরিতে, তার
জন্ম ৮০ হিজরিতে,তাহলে তার বয়স ছিল ৭০ বৎসর ৭০ বৎসর
বয়সে অাল্লাহ পাক এমন বর্কত দিয়েছেন যে,অনেকে হয়তো
শত শত বৎসরেও এই কাজগুলি করতে পাড়বে না যেই কাজগুলি
করে গিয়েছেন উম্মতের কাছে কুরঅান এবং হাদীসের খেদমত
করে গেছেন। ইমাম অাবু নুঅাইম (রাহ) বলেছেন যে,তার
জন্ম হচ্ছে ৮০ হিজরিতে এবং ১৫০ হিজরিতে তিনি
ইন্তেকাল করেছেন,বাগদাদে তার ইন্তেকাল হয়।এবং যদিও
কিছু ইখতেলাফ রয়েছে তার ইন্তেকাল সম্পর্কে,বাড়িতে
হয়েছে না জেলে হয়েছে তিনি বলছেন যে সহীহ হচ্ছে এটি
যে,জেলে তার ইন্তেকাল হয়েছে,এবং জেলে থেকেই তার মৃত
দেহ জানাযায় গিয়েছে,এবং কবরস্তানে পৌচেছে।তার
যানাজার ইমামতি করেছেন হাচান বিন উমার (রাহ) তিনি
বাগদাদের তাবেঈ ছিলেন,এবং তার ইন্তেকাল হয় রযব
মাসে।অার বাগদাদের একটি কবরস্তান ছিল "খাইজরান
কবরস্তান "সেই কবরস্তানের পুর্বদিকে তার কবরস্তান করা
হয় এবং তার কবর এখনও সেখানেই রয়েছে।এবার সুনুন একজন
ইমাম অারেকজন ইমামের সাথে তাদের কেমন সু সম্পর্ক ছিল
কেমন সধাচরন ছিল যেই সম্পর্ক অাজকে অামরা বিচ্ছিন্ন
করে দিয়ে মনে করেছি যে প্রত্যেক এক অপরের মধ্য মনে হয়
বিরুদ্ধে এই রখম করে ফেলেছি অামরা,যা অাজ অামাদের
অালেম সমাযের মাঝেও নেই কিন্ত তারা চার ইমামের
মধ্যে কত সুন্দর ভাতৃত্যছিল একে অপরের কেমন স্রদ্ধা ছিল।
ইমাম শাফেয়ী (রাহ) বলেছেনঃ
ﺍﻟﻨﺎﺱ ﻋﻴﺎﻝ ﻋﻠﻰ ﺍﺑﻲ ﺣﻨﻴﻔﺔﺭﺣﻤﻪ ﺍﻟﻠﻪ ﻓﻰ ﺍﻟﻔﻘﻪ
ফিকহের ক্বেত্রে দ্বীনের জ্ঞানের ক্বেত্রে সমস্ত মানুষ
ইমাম অাবু হানিফা (রাহ) এর মুখাপেক্বী। তাহলে যদি কোন
মানুষের সাথে হিংসা বিদ্ধেষ থাকে বা শত্রুতা থাকে
যে,অামার চাইতে ও কিকরে বড় হয়,যেমন অামাদের সমাজে,
এমনকি এই পেশবুকেও এক শ্রেনীর অালেমদের মধ্যে রয়েছে।
তাহলে এমন কথা কি কোন দিন কন্ঠদিয়ে বের হত,অাজকের
যামানার অালেম সমাজ একজন অারেকজনে প্রশংসা করতে
চাইবে না,যদিও কুরঅান সুন্নাহর অনুসারি দুজনি, খুব কম
পাবেন,এই রখম অাজ অামাদের ঈমানের এত দুর্বলতা
হয়েছে।ইমাম শাফেয়ী (রাহ) তার এই প্রশংসা করেছেন।
অাব্দুল্লাহ ইবনে মুবারক (রাহ)তিনি কি বলছেন ইমাম অাবু
হানিফি (রাহ) সম্পর্কে বলছেনঃ
ﻣﺎ ﺭﺍﻳﺖ ﺍﺣﺪ ﺍﻭ ﺭﺍﻉ ﻣﻦ ﺍﺑﻲ ﺣﻨﻔﺔ ﻭﻗﺪ ﺯﺭﺏ ﺑﺎﺍﻟﺴﻴﺎﺗﻰ
ﻭﺍﻷﻣﻮﺍﻝ
ইমাম অাবু হানিফা (রাহ) থেকে পরহেজগার ব্যক্তি অামি
অাব্দুল্লাহ বিন মুবারক অার কোন ব্যক্তিকে দেখি নাই।
তাকে ধন সম্পদ দিয়ে প্রলোবন দিয়ে চেষ্ট করেছে শাসকেরা
তার পরেও পারেনি।
অারেকজন অালেম বলেছেন মুহাম্মদ ইবনে অাব্দুর রহমান
মাসউদীন তার পিতা থেকে বর্ণনা করেছেন,যে তার পিতা
একথা বলেছেনঃ
ﻣﺎﺭﺍﻳﺖ ﺍﺣﺴﻦ ﺍﻣﺎﻧﺔ ﻣﻦ ﺍﺑﻲ ﺣﻨﻴﻔﺔ ﺭﺣﻤﻪ ﺍﻟﻠﻪ ﻣﺎﺕ
ﻳﻮﻡ ﻣﺎﺕ ﻭﻋﻨﺪﻩ ﻭﺩﺍﻉ ﺧﻤﺴﻴﻦ ﺍﻟﻒ
ইমাম অাবু হানিফা (রাহ) থেকে বিশ্বস্ত ব্যাক্তি,অামানত
দার ব্যক্তি অার কোন ব্যক্তিকে অামি দেখিনাই।যে দিন
তার ইন্তেকাল হয় সেই দিন তার বাড়িতে ৫০ হাজার
দিরহামের অামানত ছিল। এই হচ্ছে অামানত অামাদের
অাইম্মায়ে কেরাম অাজমাইনদের। এখন শেষ খানে
অাপনাদেরকে বলব যে, ইমাম অাবু হানিফা (রাহ)
অামাদেরকে কি দিয়ে গেছেন,কি দিক নির্দেশনা দিয়ে
গিয়েছেন কি হেদায়েত, দিয়ে গেছেন যে পথের উপর
অামাদেরকে চলতে হবে।তিনি কি বলেছেন, যে হে মুসলিম
জাতি তোমাদের সামনে মাযহাব তৈরী করে দিলাম অামার
সব গুলি ফতুওয়া সহী সুতরারং তোমরা এই মাযহাবে যা পাবে
তাই গ্রহন করিবে কুরঅান হাদীস দেখা দেখি নেই এমন কথা
কি তিনি বলেছেন? ,তোমরা একে অপরের বিরুদ্ধে যা কিছু
অাছে বিবেক,বুদ্ধি,লাঠি টাংগা, এই সব নিয়ে ব্যাবহার
করিও,এমন কথা কি বলেছেন? নাকি বলেছেন তোমরা কুরঅান
সুন্নাহর দিকে চলে অাসিও। তার অনেক গুলি উক্তি
রয়েছে,তার মধ্যে অাপনাদের সামনে মাত্র কয়েকটি উক্তি
বর্ণনা করব।প্রথম উক্তি।
ﺍﺫﺍ ﺻﺢّ ﺍﻟﺤﺪﻳﺚ ﻓﻬﻮ ﻣﺬﻫﺒﻰ
কোন বিষয়ে যখন সহিহ হাদীস পাওয়া যাবে জেনে রেখ
সেঠাই অামার মাযহাব বা মত ও পথ।(রাসমুল মুফতি-১/৪
পৃষ্টা।শাইখ সালিহ অাল ফুলানী ইকাযুল হিমাম-৬২ পৃষ্টা)।
ইমাম অাবু হানিফা (রাহঃ) অারো বলেনঃ
ﺍﺫﺍﻗﻠﺖ ﻗﻮﻻﻳﺨﻠﻒ ﻛﺘﺎﺏ ﺍﻟﻠّﻪ ﺗﻌﺎﻟﻰ ﻭﺧﻴﺮ
ﺍﻟﺮّﺳﻮﻝ،ﻓﺘﺮﻛﻮﺍ ﻗﻮﻟﻲ،،،
অামি যদি এমন কথা বলি যা অাল্লাহর কিতা কুরঅান এবং
রাসুল (সাঃ) বিপরীত বা পরিপন্তি হয়,তখন অামার কথাকে
বর্জন করে (কুরঅান হাদীস অাঁকড়ে ধর) (শায়খ অাল ফুলানী-
ইকামুল হিমাম-৫০ পৃষ্টা)। ইমাম অাবু হানীফা (রহঃ) অারো
বলেনঃ
ﺍﻳّﺎﻛﻢ ﻭﺍﻟﻘﻮﻝ ﻓﻲ ﺩﻳﻦ ﺍﻟﻠّﻪ ﺑﺎﻟﺮﺍﻯ،ﻭﻋﻠﻴﻜﻢ ﺑﺎﺗّﺒﺎﻉ
ﺍﻟﺴّﻨّﺔ،ﻓﻤﻦ ﺧﺮﺝ ﻋﻨﻬﺎ ﺿﻞّ،،،
সাবধান! তোমরা অাল্লাহর দ্বীনে নিজেদের অভিমত প্রয়োগ
করা হতে বিরত থাক,সকল অবস্তাতেই সুন্নাহর অনুসরন করো।
যে ব্যাক্তি সুন্নাহ হতে বের হবে সে প্রথভ্রষ্ট হয়ে যাবে।
(শারানী মীযানে কুবরা-১/৯ পৃষ্টা। '
ﻗﺎﻝ ﺍﻻ ﺍﻣﺎﻡ ﺍﺑﻮ ﺣﻨﻴﻔﻪ ﺭﺣﻤﻪ ﺍﻟﻠّﻪ،ﻻ ﻳﺤﻴﻞّ ﻟﻰ ﺍﺣﺪﺍ ﺍﻥ
ﻳﺌﺨﺬ ﺑﻘﻮﻟﻰ ﻧﺎ ﻣﺎ ﻟﻢ ﻳﻌﻠﻢ ﻣﻦ ﺍﻳﻦ ﺍﺧﺬﻧﻪ،
ইমাম অাবু হানফা (রাহঃ) বলেনঃকোন ব্যক্তির জন্য ওতক্কন
পর্যন্ত হালাল নয় (অর্থাত হারাম) যে,অামাদের কথাকে
নিয়ে নেবে,এবং সেটার উপর অামল করবে,যতক্কন পর্যন্ত না
জানতে পারবে যে,কোথাথেকে অামরা এ কথাটি বলেছি।
[ হাশে ইবনে অাবেদিন অাল বাহর অাল রায়িক এর
হুশিয়ার,৬ষ্ট খন্ড-২৯৩ পৃষ্টা।
ইবনু অাকিল বার অাল- ইনতিকা-১৪৫ পৃষ্টা। ইমামুল
মুয়াককিঈন,২য় খন্ড-৩০৯পৃষ্টা।
অাশশারানী অাল- মিজান-১৫৫ পৃষ্টা। শায়খ অাল-
ফুলানী,ইকাযুল হিমাম-৫২ পৃষ্টা ‏]
ﻭﻗﺎﻝ،ﺣﺮﺍﻡ،ﻋﻠﻰ ﻣﺎﻟﻢ ﻳﻌﺮﻑ ﺩﻟﻴﻠﻰ ﺍﻥ ﻳّﻔﺘﻲ ﺑﻜﻼﻣﻰ،
তিনি অারো বলেনঃ হারাম ঐ ব্যক্তির জন্য,যে ব্যাক্তি
অামার দলীল জান 'ল না।[ ঐ ‏]
ﻓﺎﻧّﻨﺎ ﺑﺸﺮ،ﻧﻘﻮﻟﻮ ﺍﻟﻘﻮﻝ ﺍﻟﻴﻮﻡ،ﻭﻧﺮﺟﻮ ﻋﻨﻪ ﻏﺪﺍ،،
অামরা মানুষ,অামরা অাজকে একটা কথা বলি,অাগামীকাল
অাবার প্রত্যাবর্তন করি।[ তা 'বিলু মুখতালিফিল হাদীস,-
পৃষ্টা-৬৩] মুহাম্মদ বিন কুতাইবা সিফাতু সালাতিন্নবী-
পৃষ্টা-২৫‏]
ইমাম আবু হানিফা রাঃ
ইমাম আবু হানিফা রাঃ

Price : *Happy Shopping
Order via whatsapp Order via Email

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

আজকের আইডিয়ার নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url
Content copy is disabled! Default text copied.