কুরআন ও সহীহ হাদীসের আলোকে যৌনকর্ম | শরিফ গাজী অফিসিয়াল

কুরআন ও সহীহ হাদীসের আলোকে যৌনকর্ম

* কুরআন ও সহীহ হাদীসের আলোকে যৌনকর্ম *
>>> লজ্জাস্থানের হেফাযত করা <<<
ﻗَﺪْ ﺃَﻓْﻠَﺢَ ﺍﻟْﻤُﺆْﻣِﻨُﻮﻥَ ﺍﻟَّﺬِﻳﻦَ ﻫُﻢْ ﻓِﻲ ﺻَﻼﺗِﻬِﻢْ ﺧَﺎﺷِﻌُﻮﻥَ ﻭَﺍﻟَّﺬِﻳﻦَ ﻫُﻢْ
ﻋَﻦِ ﺍﻟﻠَّﻐْﻮِ ﻣُﻌْﺮِﺿُﻮﻥَ ﻭَﺍﻟَّﺬِﻳﻦَ ﻫُﻢْ ﻟِﻠﺰَّﻛَﺎﺓِ ﻓَﺎﻋِﻠُﻮﻥَ ﻭَﺍﻟَّﺬِﻳﻦَ ﻫُﻢْ
ﻟِﻔُﺮُﻭﺟِﻬِﻢْ ﺣَﺎﻓِﻈُﻮﻥَ ﺇِﻻ ﻋَﻠَﻰ ﺃَﺯْﻭَﺍﺟِﻬِﻢْ ﺃﻭْ ﻣَﺎ ﻣَﻠَﻜَﺖْ ﺃَﻳْﻤَﺎﻧُﻬُﻢْ
ﻓَﺈِﻧَّﻬُﻢْ ﻏَﻴْﺮُ ﻣَﻠُﻮﻣِﻴﻦَ ﻓَﻤَﻦِ ﺍﺑْﺘَﻐَﻰ ﻭَﺭَﺍﺀَ ﺫَﻟِﻚَ ﻓَﺄُﻭﻟَﺌِﻚَ ﻫُﻢُ ﺍﻟْﻌَﺎﺩُﻭﻥَ
নিশ্চয় মুমিনগণ সফলকাম হয়েছে; যারা নিজেদের
সালাতে বিনয়াবনত; আর যারা অনর্থক কথা-
বার্তা থেকে বিরত থাকে; আর যারা তাদের যাকাতের
ক্ষেত্রে সক্রিয়; এবং যারা নিজেদের লজ্জাস্থানের হেফাযত
রাখে; তবে তাদের স্ত্রীদের ও মালিকানাভুক্ত দাসীদের ছাড়া,
নিশ্চয় এতে তারা নিন্দিত হবে না; অতঃপর কেউ এদের
ছাড়া অন্যকে কামনা করে তারাই সীমালংঘনকারী হবে। আল-
মু‘মিনুন, ২৩/১-৭
ﻭَﺍﻟَّﺬِﻳﻦَ ﻫُﻢْ ﻟِﻔُﺮُﻭﺟِﻬِﻢْ ﺣَﺎﻓِﻈُﻮﻥَ ﺇِﻻ ﻋَﻠَﻰ ﺃَﺯْﻭَﺍﺟِﻬِﻢْ ﺃَﻭْ ﻣَﺎ ﻣَﻠَﻜَﺖْ
ﺃَﻳْﻤَﺎﻧُﻬُﻢْ ﻓَﺈِﻧَّﻬُﻢْ ﻏَﻴْﺮُ ﻣَﻠُﻮﻣِﻴﻦَ ﻓَﻤَﻦِ ﺍﺑْﺘَﻐَﻰ ﻭَﺭَﺍﺀَ ﺫَﻟِﻚَ ﻓَﺄُﻭﻟَﺌِﻚَ ﻫُﻢُ
আর
ﺍﻟْﻌَﺎﺩُﻭﻥَ
যারা তাদের লজ্জাস্থানের
হেফাযত রাখে তবে তাদের
স্ত্রীদের ও মালিকানাভুক্ত দাসীদের ছাড়া, নিশ্চয়
এতে তারা নিন্দিত হবে না; অতঃপর কেউ এদের
ছাড়া অন্যকে কামনা করে তারাই সীমালংঘনকারী হবে। আল-
মা‘আরিজ, ৭০/২৯-৩১
ﻗُﻞْ ﻟِﻠْﻤُﺆْﻣِﻨِﻴﻦَ ﻳَﻐُﻀُّﻮﺍ ﻣِﻦْ ﺃَﺑْﺼَﺎﺭِﻫِﻢْ ﻭَﻳَﺤْﻔَﻈُﻮﺍ ﻓُﺮُﻭﺟَﻬُﻢْ ﺫَﻟِﻚَ ﺃَﺯْﻛَﻰ
ﻟَﻬُﻢْ ﺇِﻥَّ ﺍﻟﻠَّﻪَ ﺧَﺒِﻴﺮٌ ﺑِﻤَﺎ ﻳَﺼْﻨَﻌُﻮﻥَ
আপনি মুমিন পুরুষদেরকে বলুন, তারা যেন তাদের দৃষ্টি নত
রাখে এবং তাদের লজ্জাস্থানের হেফাযত করে; এটাই তাদের
জন্য অধিক পবিত্রতা; নিশ্চয় তারা যা করে আল্লাহ
তা অবহিত আছেন। আন-নূর, ২৪/৩০
ﻭَﻗُﻞْ ﻟِﻠْﻤُﺆْﻣِﻨَﺎﺕِ ﻳَﻐْﻀُﻀْﻦَ ﻣِﻦْ ﺃَﺑْﺼَﺎﺭِﻫِﻦَّ ﻭَﻳَﺤْﻔَﻈْﻦَ ﻓُﺮُﻭﺟَﻬُﻦَّ ﻭَﻻ
ﻳُﺒْﺪِﻳﻦَ ﺯِﻳﻨَﺘَﻬُﻦَّ ﺇِﻻ ﻣَﺎ ﻇَﻬَﺮَ ﻣِﻨْﻬَﺎ ﻭَﻟْﻴَﻀْﺮِﺑْﻦَ ﺑِﺨُﻤُﺮِﻫِﻦَّ ﻋَﻠَﻰ ﺟُﻴُﻮﺑِﻬِﻦَّ
আপনি মুমিন নারীদেরকে বলুন, তারা যেন তাদের দৃষ্টিকে নত
রাখে এবং তাদের লজ্জাস্থানের হেফাযত করে; আর
যাহা সাধারণভাবে প্রকাশ পায় তাছাড়া তাদের সৌন্দর্য
প্রদর্শন না করে এবং তারা যেন তাদের মাথার
ওড়না দিয়ে বক্ষদেশেকে আবৃত করে রাখে। আন-নূর, ২৪/৩১
ﻓَﺎﻟﺼَّﺎﻟِﺤَﺎﺕُ ﻗَﺎﻧِﺘَﺎﺕٌ ﺣَﺎﻓِﻈَﺎﺕٌ ﻟِﻠْﻐَﻴْﺐِ ﺑِﻤَﺎ ﺣَﻔِﻆَ ﺍﻟﻠَّﻪُ
নেকস্ত্রীরা হয় অনুগতা আর আল্লাহ যা হেফাযতযোগ্য
করে দিয়েছেন লোকচক্ষুর অন্তরালেও তার হেফাযত করে।
আন-নিসা, ৪/৩৪
>>> পোশাকের বিধান <<<
ﻳَﺎ ﺑَﻨِﻲ ﺁﺩَﻡَ ﻗَﺪْ ﺃَﻧْﺰَﻟْﻨَﺎ ﻋَﻠَﻴْﻜُﻢْ ﻟِﺒَﺎﺳًﺎ ﻳُﻮَﺍﺭِﻱ ﺳَﻮْﺁﺗِﻜُﻢْ ﻭَﺭِﻳﺸًﺎ ﻭَﻟِﺒَﺎﺱُ
ﺍﻟﺘَّﻘْﻮَﻯ ﺫَﻟِﻚَ ﺧَﻴْﺮٌ ﺫَﻟِﻚَ ﻣِﻦْ ﺁﻳَﺎﺕِ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﻟَﻌَﻠَّﻬُﻢْ ﻳَﺬَّﻛَّﺮُﻭﻥَ
হে আদমের সন্তান, আমি তোমাদের জন্যে পোশাক অবর্তীণ
করেছি, যা তোমাদের লজ্জাস্থান আবৃত করবে আর
যা সৌন্দর্য্স্বরূপ এবং তাকওয়ার পোশাক
(মানে আল্লাহকে ভয় করা), এটি সর্বোত্তম; এটি আল্লাহর
নিদর্শনবলীর অন্যতম, হয়ত তারা চিন্তা-ভাবনা করবে। আল-
আ’রাফ, ৭/২৬
ﻳَﺎ ﺃَﻳُّﻬَﺎ ﺍﻟﻨَّﺒِﻲُّ ﻗُﻞْ ﻷﺯْﻭَﺍﺟِﻚَ ﻭَﺑَﻨَﺎﺗِﻚَ ﻭَﻧِﺴَﺎﺀِ ﺍﻟْﻤُﺆْﻣِﻨِﻴﻦَ ﻳُﺪْﻧِﻴﻦَ ﻋَﻠَﻴْﻬِﻦَّ
ﻣِﻦْ ﺟَﻼﺑِﻴﺒِﻬِﻦَّ ﺫَﻟِﻚَ ﺃَﺩْﻧَﻰ ﺃَﻥْ ﻳُﻌْﺮَﻓْﻦَ ﻓَﻼ ﻳُﺆْﺫَﻳْﻦَ ﻭَﻛَﺎﻥَ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻏَﻔُﻮﺭًﺍ
ﺭَﺣِﻴﻤًﺎ
হে নবী আপনি আপনার পত্নীগণকে ও
কন্যাগণকে এবং মুমিনদের স্ত্রীগণকে বলুন, তারা যেন তাদের
চাদরের কিয়দংশ নিজেদের উপর টেনে নেয়,
এতে তাদেরকে চেনা সহজ হবে, ফলে তাদেরকে উত্যক্ত
করা হবে না; আল্লাহ ক্ষমাশীল পরম দয়ালু। আল-আহযাব,
৩৩/৫৯
ﻭَﻗَﺮْﻥَ ﻓِﻲ ﺑُﻴُﻮﺗِﻜُﻦَّ ﻭَﻻ ﺗَﺒَﺮَّﺟْﻦَ ﺗَﺒَﺮُّﺝَ ﺍﻟْﺠَﺎﻫِﻠِﻴَّﺔِ ﺍﻷﻭﻟَﻰ
আর তোমরা নিজ গৃহের মধ্যে অবস্থান কর, প্রাচীন
অজ্ঞ্যুগের ন্যায় নিজেদেরকে প্রদর্শন কর না। আল-আহযাব,
৩৩/৩৩
>>> অবৈধ যৌনকর্ম থেকে বিরত থাকা <<<
ﻭَﻻ ﺗَﻘْﺮَﺑُﻮﺍ ﺍﻟﺰِّﻧَﺎ ﺇِﻧَّﻪُ ﻛَﺎﻥَ ﻓَﺎﺣِﺸَﺔً ﻭَﺳَﺎﺀ
ﺳَﺒِﻴﻼ
আর তোমরা যিনার (অবৈধ যৌনকর্মের)
কাছেও যেয়ো না,
নিশ্চয় এটা অশ্লীল কাজ এবং নিকৃষ্ট পথ। আল-ইস্রা, ১৭/৩২
ﻭَﻻ ﻳَﺰْﻧُﻮﻥَ ﻭَﻣَﻦْ ﻳَﻔْﻌَﻞْ ﺫَﻟِﻚَ ﻳَﻠْﻖَ ﺃَﺛَﺎﻣًﺎ
আর তারা ব্যভিচার (অবৈধ যৌনকর্ম) করবে না, আর যে এ
কাজ করবে সে শাস্তি ভোগ করবে। আল-ফুরক্বান, ২৫/৬৮
>>> অশ্লীলতা থেকে বিরত থাকা <<<
ﻗُﻞْ ﺇِﻧَّﻤَﺎ ﺣَﺮَّﻡَ ﺭَﺑِّﻲَ ﺍﻟْﻔَﻮَﺍﺣِﺶَ ﻣَﺎ ﻇَﻬَﺮَ ﻣِﻨْﻬَﺎ ﻭَﻣَﺎ ﺑَﻄَﻦَ ﻭَﺍﻹﺛْﻢَ
ﻭَﺍﻟْﺒَﻐْﻲَ ﺑِﻐَﻴْﺮِ ﺍﻟْﺤَﻖِّ ﻭَﺃَﻥْ ﺗُﺸْﺮِﻛُﻮﺍ ﺑِﺎﻟﻠَّﻪِ ﻣَﺎ ﻟَﻢْ ﻳُﻨَﺰِّﻝْ ﺑِﻪِ ﺳُﻠْﻄَﺎﻧًﺎ ﻭَﺃَﻥْ
ﺗَﻘُﻮﻟُﻮﺍ ﻋَﻠَﻰ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﻣَﺎ ﻻ ﺗَﻌْﻠَﻤُﻮﻥَ
আপনি বলে দিনঃ অবশ্যই আমার রব হারাম করেছেন অশ্লীল
কাজসমূহকে যা প্রকাশ পায় আর যা গোপন থাকে, এবং হারাম
করেছেন পাপ, অসংগত ভাবে সীমালঙ্ঘন করা; এবং আল্লাহর
সাথে কোন কিছু অংশীদার করা, যার সর্ম্পকে কোন প্রমাণ
অবতীর্ণ করেন নাই এবং আল্লাহর প্রতি এমন কিছু
বলা যা তোমরা জান না। আল-আ‘রাফ, ৭/৩৩
ﺇِﻥَّ ﺍﻟَّﺬِﻳﻦَ ﻳُﺤِﺒُّﻮﻥَ ﺃَﻥْ ﺗَﺸِﻴﻊَ ﺍﻟْﻔَﺎﺣِﺸَﺔُ ﻓِﻲ ﺍﻟَّﺬِﻳﻦَ ﺁﻣَﻨُﻮﺍ ﻟَﻬُﻢْ ﻋَﺬَﺍﺏٌ
ﺃَﻟِﻴﻢٌ ﻓِﻲ ﺍﻟﺪُّﻧْﻴَﺎ ﻭَﺍﻵﺧِﺮَﺓِ ﻭَﺍﻟﻠَّﻪُ ﻳَﻌْﻠَﻢُ ﻭَﺃَﻧْﺘُﻢْ ﻻ ﺗَﻌْﻠَﻤُﻮﻥَ
যারা পছন্দ করে যে, মুমিনদের মধ্যে অশ্লীলতা প্রসার লাভ
করুক, তাদের জন্যে দুনিয়া ও পরকালে রয়েছে যন্ত্রণাদায়ক
শাস্তি; আর আল্লাহ জানেন তোমরা জান না। আন-নূর,
২৪/১৯
ﻳَﺎ ﺃَﻳُّﻬَﺎ ﺍﻟَّﺬِﻳﻦَ ﺁﻣَﻨُﻮﺍ ﻻ ﺗَﺘَّﺒِﻌُﻮﺍ ﺧُﻄُﻮَﺍﺕِ ﺍﻟﺸَّﻴْﻄَﺎﻥِ ﻭَﻣَﻦْ ﻳَﺘَّﺒِﻊْ ﺧُﻄُﻮَﺍﺕِ
ﺍﻟﺸَّﻴْﻄَﺎﻥِ ﻓَﺈِﻧَّﻪُ ﻳَﺄْﻣُﺮُ ﺑِﺎﻟْﻔَﺤْﺸَﺎﺀِ ﻭَﺍﻟْﻤُﻨْﻜَﺮِ
হে মুমিনগণ, শয়তানের পদাঙ্ক অনুসরণ করো না আর
যে শয়তানের পদাঙ্ক অনুসরণ করবে, তখন সে (শয়তান)
নির্লজ্জতার ও মন্দ কাজের আদেশ করবে। আন-নূর, ২৪/২১
>>> ফেসবুক, you tube ইত্যাদি দ্বারা পাপ কাজ না করা <<<
ﺇِﻥَّ ﺍﻟﺴَّﻤْﻊَ ﻭَﺍﻟْﺒَﺼَﺮَ ﻭَﺍﻟْﻔُﺆَﺍﺩَ ﻛُﻞُّ ﺃُﻭﻟَﺌِﻚَ ﻛَﺎﻥَ
ই়যচ্শিন
ﻋَﻨْﻪُ ﻣَﺴْﺌُﻮﻻ
কান, চক্ষু ও অন্তঃকরণ এদের
প্রত্যেকটি সর্ম্পকে জিজ্ঞাসা করা হবে। আল-ইস্রা, ১৭/৩৬
ﻳَﻌْﻠَﻢُ ﺧَﺎﺋِﻨَﺔَ ﺍﻷﻋْﻴُﻦِ ﻭَﻣَﺎ ﺗُﺨْﻔِﻲ ﺍﻟﺼُّﺪُﻭﺭُ
চোক্ষুসমূহের খেয়ানত করা আর অন্তরসমূহে যাহা গোপন
রাখে তিনি (আল্লাহ) তা জানেন। আল-মু’মিন, ৪০/১৯
ﺍﻟْﻴَﻮْﻡَ ﻧَﺨْﺘِﻢُ ﻋَﻠَﻰ ﺃَﻓْﻮَﺍﻫِﻬِﻢْ ﻭَﺗُﻜَﻠِّﻤُﻨَﺎ ﺃَﻳْﺪِﻳﻬِﻢْ ﻭَﺗَﺸْﻬَﺪُ ﺃَﺭْﺟُﻠُﻬُﻢْ ﺑِﻤَﺎ
ﻛَﺎﻧُﻮﺍ ﻳَﻜْﺴِﺒُﻮﻥَ
আজ (বিচারের দিনে) আমি তাদের মুখে মোহর মেরে দেব, তাদের
হাত আমার সাথে কথা বলবে এবং তাদের পা তাদের কৃতকর্মের
সাক্ষ্য দেবে। ইয়া-সীন, ৩৬/৬৫
ﻭَﻟَﻘَﺪْ ﺧَﻠَﻘْﻨَﺎ ﺍﻹﻧْﺴَﺎﻥَ ﻭَﻧَﻌْﻠَﻢُ ﻣَﺎ ﺗُﻮَﺳْﻮِﺱُ ﺑِﻪِ ﻧَﻔْﺴُﻪُ ﻭَﻧَﺤْﻦُ ﺃَﻗْﺮَﺏُ
ﺇِﻟَﻴْﻪِ ﻣِﻦْ ﺣَﺒْﻞِ ﺍﻟْﻮَﺭِﻳﺪِ ﺇِﺫْ ﻳَﺘَﻠَﻘَّﻰ ﺍﻟْﻤُﺘَﻠَﻘِّﻴَﺎﻥِ ﻋَﻦِ ﺍﻟْﻴَﻤِﻴﻦِ ﻭَﻋَﻦِ ﺍﻟﺸِّﻤَﺎﻝِ
ﻗَﻌِﻴﺪٌ ﻣَﺎ ﻳَﻠْﻔِﻆُ ﻣِﻦْ ﻗَﻮْﻝٍ ﺇِﻻ ﻟَﺪَﻳْﻪِ ﺭَﻗِﻴﺐٌ ﻋَﺘِﻴﺪٌ
আর অবশ্যই আমি মানুষকে সৃষ্টি করেছি এবং তার অন্তর
তাকে যে কুমন্ত্রণা দেয় সে সম্বন্ধেও আমি অবগত আছি আর
আমি তার ঘাড়ের শিরার চেয়েও অধিক নিকটবর্তী (জ্ঞানের
দিক থেকে)। যখন দুইজন গ্রহনকারী (ফেরেশতা) ডানে ও
বামে বসে তাদের কর্ম্ লিপিবদ্ধ্ করছে। যে কথাই উচ্চারণ করে,
তা লিপিবদ্ধ করার জন্যে তার কাছে সদা প্রস্তুত
সংরক্ষণকারী রয়েছে। ক্বাফ, ৫০/১৬-১৮
>>> সমকামীতা থেকে বিরত থাকা <<<
ﺇِﻧَّﻜُﻢْ ﻟَﺘَﺄْﺗُﻮﻥَ ﺍﻟﺮِّﺟَﺎﻝَ ﺷَﻬْﻮَﺓً ﻣِﻦْ ﺩُﻭﻥِ ﺍﻟﻨِّﺴَﺎﺀِ ﺑَﻞْ ﺃَﻧْﺘُﻢْ ﻣُﺴْﺮِﻓُﻮﻥَ
ﻗَﻮْﻡٌ
অবশ্যই তোমরা (পুরুষেরা) পুরুষদের কাছে যৌন ইচ্ছা পূর্ণ্ করছ
নারীদেরকে বাদ দিয়ে বরং তোমরা সীমালংনকারী সম্প্রদায়।
আল-আ’রাফ, ৭/৮১
ﺃَﺗَﺄْﺗُﻮﻥَ ﺍﻟﺬُّﻛْﺮَﺍﻥَ ﻣِﻦَ ﺍﻟْﻌَﺎﻟَﻤِﻴﻦَ ﻭَﺗَﺬَﺭُﻭﻥَ ﻣَﺎ ﺧَﻠَﻖَ ﻟَﻜُﻢْ ﺭَﺑُّﻜُﻢْ ﻣِﻦْ
ﺃَﺯْﻭَﺍﺟِﻜُﻢْ ﺑَﻞْ ﺃَﻧْﺘُﻢْ ﻗَﻮْﻡٌ
রিট্ষৃস রায়িনুদ
ﻋَﺎﺩُﻭﻥَ
মধ্যে তোমরাই কি পুরুষদের কাছে যৌন
ইচ্ছা পূর্ণ্ করছ? আর তোমাদের রব তোমাদের
জন্যে যে স্ত্রীদেরকে সৃষ্টি করেছেন তোমরা তা বর্জন করছ
বরং তোমরা সীমালঙ্ঘনকারী সম্প্রদায়। আশ্-শু‘আরা,
২৬/১৬৫-১৬৬
>>> বিবাহ করা <<<
ﻭَﺃَﻧْﻜِﺤُﻮﺍ ﺍﻷﻳَﺎﻣَﻰ ﻣِﻨْﻜُﻢْ ﻭَﺍﻟﺼَّﺎﻟِﺤِﻴﻦَ ﻣِﻦْ ﻋِﺒَﺎﺩِﻛُﻢْ ﻭَﺇِﻣَﺎﺋِﻜُﻢْ ﺇِﻥْ
ﻳَﻜُﻮﻧُﻮﺍ ﻓُﻘَﺮَﺍﺀَ ﻳُﻐْﻨِﻬِﻢُ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻣِﻦْ ﻓَﻀْﻠِﻪِ ﻭَﺍﻟﻠَّﻪُ
রেদামােত
ﻭَﺍﺳِﻊٌ ﻋَﻠِﻴﻢ
ٌমধ্যকার অবিবাহিতদের তোমরা
বিবাহ দাও আর
তোমাদের দাস ও দাসীদের মধ্যে যারা সৎকর্মশীল তাদেরকেও;
যদি তারা অভাবগ্রস্ত হয় তবে আল্লাহ নিজ
অনুগ্রহে তাদেরকে অভাবমুক্ত করে দেবেন; এবং আল্লাহ
প্রাচুর্যময়, সর্বজ্ঞ। আন-নূর, ২৪/৩২
ﻓَﺎﻧْﻜِﺤُﻮﻫُﻦَّ ﺑِﺈِﺫْﻥِ ﺃَﻫْﻠِﻬِﻦَّ ﻭَﺁﺗُﻮﻫُﻦَّ ﺃُﺟُﻮﺭَﻫُﻦَّ ﺑِﺎﻟْﻤَﻌْﺮُﻭﻑِ ﻣُﺤْﺼَﻨَﺎﺕٍ ﻏَﻴْﺮَ
ﻣُﺴَﺎﻓِﺤَﺎﺕٍ ﻭَﻻ ﻣُﺘَّﺨِﺬَﺍﺕِ ﺃَﺧْﺪَﺍﻥٍ
অতএব, তাদেরকে তাদের অভিভাবকের অনুমতিক্রমে বিয়ে কর
আর নিয়ম অনুযায়ী মোহরানা দাও, যারা হবে সতী-
সাধ্বী তবে অবৈধ যৌনকর্মকারী ও গুপ্ত
প্রেমিকা গ্রহনকারী ব্যতীত। আন-নিসা, ৪/২৫
>>> বিবাহ নবীগণের সুন্নাত <<<
ﻭَﻟَﻘَﺪْ ﺃَﺭْﺳَﻠْﻨَﺎ ﺭُﺳُﻼ ﻣِﻦْ ﻗَﺒْﻠِﻚَ ﻭَﺟَﻌَﻠْﻨَﺎ ﻟَﻬُﻢْ ﺃَﺯْﻭَﺍﺟًﺎ ﻭَﺫُﺭِّﻳَّﺔً
অবশ্যই আমি আপনার পূর্বেও অনেক রাসূল প্রেরণ করেছিলাম
এবং তাঁদেরকে অনেক স্ত্রী ও সন্তান-সন্ততি দিয়েছিলাম।
আর-রাদ, ১৩/৩৮
>>> বৈধ যৌনকর্ম করা <<<
ﻓَﺎﻵﻥَ ﺑَﺎﺷِﺮُﻭﻫُﻦَّ ﻭَﺍﺑْﺘَﻐُﻮﺍ ﻣَﺎ ﻛَﺘَﺐَ ﺍﻟﻠَّﻪُ
ারমােত বএতঅ
ﻟَﻜُﻢْ
তাদের (তোমাদের স্ত্রীদের) সাথে সহবাস কর
(যৌনকর্ম্ কর) আর যা কিছু আল্লাহ লিখে দিয়েছেন তোমাদের
জন্য তা (সন্তান) সন্ধান কর। আল-বাকারাহ, ২/১৮৭
ﻓَﺈِﺫَﺍ ﺗَﻄَﻬَّﺮْﻥَ ﻓَﺄْﺗُﻮﻫُﻦَّ ﻣِﻦْ ﺣَﻴْﺚُ ﺃَﻣَﺮَﻛُﻢُ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﺇِﻥَّ ﺍﻟﻠَّﻪَ ﻳُﺤِﺐُّ ﺍﻟﺘَّﻮَّﺍﺑِﻴﻦَ
ﻭَﻳُﺤِﺐُّ ﺍﻟْﻤُﺘَﻄَﻬِّﺮِﻱﻥَ
অতঃপর যখন তারা পবিত্র হয়, তখন তাদের নিকট গমন কর
(যৌনকর্ম্ কর) যেভাবে আল্লাহ তোমাদেরকে আদেশ দিয়েছেন;
নিশ্চয়ই আল্লাহ তওবা কারীদেরকে আর পবিত্রতা অবলম্বন
কারীদেরকে ভালবাসেন। আল-বাকারাহ, ২/২২২
ﻧِﺴَﺎﺅُﻛُﻢْ ﺣَﺮْﺙٌ ﻟَﻜُﻢْ ﻓَﺄْﺗُﻮﺍ ﺣَﺮْﺛَﻜُﻢْ ﺃَﻧَّﻰ
রেদামােত
ﺷِﺌْﺘُﻢْ
স্ত্রীরা হলো তোমাদের জন্য
শস্যক্ষেত্র তাই
তোমরা শস্যক্ষেত্রে গমন কর যেভাবে ইচ্ছা চাও। আল-
বাকারাহ, ২/২২৩
ﻫُﻦَّ ﻟِﺒَﺎﺱٌ ﻟَﻜُﻢْ ﻭَﺃَﻧْﺘُﻢْ ﻟِﺒَﺎﺱٌ
)ারীর্ত্স
রেদামােত( ারাত
ﻟَﻬُﻦَّ
তোমাদের জন্যে পোশাক আর
তোমরা তাদের জন্যে পোশাক। আল-বাকারাহ, ২/১৮৭
>>> নিজ স্ত্রীর সাথে সহবাস করা হচ্ছে সদাকাহ <<<
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,
ﺻَﺪَﻗَﺔٌ ﻭَﻓِﻲ ﺑُﻀْﻊِ ﺃَﺣَﺪِﻛُﻢْ ﺻَﺪَﻗَﺔٌ " . ﻗَﺎﻟُﻮﺍ ﻳَﺎ ﺭَﺳُﻮﻝَ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﺃَﻳَﺄْﺗِﻲ
ﺃَﺣَﺪُﻧَﺎ ﺷَﻬْﻮَﺗَﻪُ ﻭَﻳَﻜُﻮﻥُ ﻟَﻪُ ﻓِﻴﻬَﺎ ﺃَﺟْﺮٌ " َﻝﺎَﻗ ﺃَﺭَﺃَﻳْﺘُﻢْ ﻟَﻮْ ﻭَﺿَﻌَﻬَﺎ ﻓِﻲ
ﺣَﺮَﺍﻡٍ ﺃَﻛَﺎﻥَ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻓِﻴﻬَﺎ ﻭِﺯْﺭٌ ﻓَﻜَﺬَﻟِﻚَ ﺇِﺫَﺍ ﻭَﺿَﻌَﻬَﺎ ﻓِﻲ ﺍﻟْﺤَﻼَﻝِ ﻛَﺎﻥَ ﻟَﻪُ
ﺃَﺟْﺮٌ " .
তোমাদের প্রত্যেকে নিজ স্ত্রীর সাথে সহবাস
করা হচ্ছে সদকাহ্। সাহাবীগণ বললেন, ইয়া রাসুলুল্লাহ! কেউ
যদি স্ত্রী সংগম করে এতেও কি সে সাওয়াব পাবে?
তিনি বললেন তোমরা কি মনে কর যদি সে কামাচার করে হারাম
পথে তাতে কি তার পাপ হবে না? অনুরুপভাবে যদি সে কামাচার
করে হালাল পথে তবে সে সাওয়াব পাবে। সহীহ মুসলিম: ২২১৯
>>> বিবাহে শান্তি ও কল্যান আনে <<<
ﻭَﻣِﻦْ ﺁﻳَﺎﺗِﻪِ ﺃَﻥْ ﺧَﻠَﻖَ ﻟَﻜُﻢْ ﻣِﻦْ ﺃَﻧْﻔُﺴِﻜُﻢْ ﺃَﺯْﻭَﺍﺟًﺎ ﻟِﺘَﺴْﻜُﻨُﻮﺍ ﺇِﻟَﻴْﻬَﺎ ﻭَﺟَﻌَﻞَ
ﺑَﻴْﻨَﻜُﻢْ ﻣَﻮَﺩَّﺓً ﻭَﺭَﺣْﻤَﺔً ﺇِﻥَّ ﻓِﻲ ﺫَﻟِﻚَ ﻵﻳَﺎﺕٍ ﻟِﻘَﻮْﻡٍ ﻳَﺘَﻔَﻜَّﺮُﻭﻥَ
আর তার নিদর্শনাবলীর মধ্যে রয়েছে যে, তিনি তোমাদের
জন্যে তোমাদের নিজেদের মধ্য
হতে সঙ্গিনীদেরকে সৃষ্টি করেছেন, যেন তোমরা তাদের
থেকে প্রশান্তি পাও এবং তিনি তোমাদের মাঝে ভালবাসা ও
দয়া সৃষ্টি করেছেন, নিশ্চয়ই এর নিদর্শনাবলী সেসব লোকদের
জন্য যারা চিন্তা ভাবনা করে। আর-রূম, ৩০/২১
ﻭَﻋَﺎﺷِﺮُﻭﻫُﻦَّ ﺑِﺎﻟْﻤَﻌْﺮُﻭﻑِ ﻓَﺈِﻥْ َﻛَﺮِﻫْﺘُﻤُﻮﻫُﻦّ ﻓَﻌَﺴَﻰ ﺃَﻥْ ﺗَﻜْﺮَﻫُﻮﺍ ﺷَﻴْﺌًﺎ
ﻭَﻳَﺠْﻌَﻞَ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻓِﻴﻪِ ﺧَﻴْﺮًﺍ ﻛَﺜِﻴﺮًﺍ
আর তাদের (নারীদের) সাথে সদ্ভাবে জীবন-যাপন কর; অতঃপর
যদি তাদেরকে অপছন্দ কর তবে হয়ত তোমরা এমন এক
জিনিসকে অপছন্দ করছ যাতে আল্লাহ অনেক কল্যাণ
রেখেছেন। আন-নিসা, ৪/১৯
>>> একাধিক বিবাহ করা <<<
ﻭَﺇِﻥْ ﺧِﻔْﺘُﻢْ ﺃَﻻ ﺗُﻘْﺴِﻄُﻮﺍ ﻓِﻲ ﺍﻟْﻴَﺘَﺎﻣَﻰ ﻓَﺎﻧْﻜِﺤُﻮﺍ ﻣَﺎ ﻃَﺎﺏَ ﻟَﻜُﻢْ ﻣِﻦَ
ﺍﻟﻨِّﺴَﺎﺀِ ﻣَﺜْﻨَﻰ ﻭَﺛُﻼﺙَ ﻭَﺭُﺑَﺎﻉَ ﻓَﺈِﻥْ ﺧِﻔْﺘُﻢْ ﺃَﻻ ﺗَﻌْﺪِﻟُﻮﺍ ﻓَﻮَﺍﺣِﺪَﺓً ﺃَﻭْ ﻣَﺎ
ﻣَﻠَﻜَﺖْ ﺃَﻳْﻤَﺎﻧُﻜُﻢْ ﺫَﻟِﻚَ ﺃَﺩْﻧَﻰ ﺃَﻻ ﺗَﻌُﻮﻟُﻮ

আর যদি তোমরা আশঙ্কা কর যে, এতীমদের
প্রতি তোমরা সুবিচার করতে পারবে না, তবে তাদের বিয়ে কর,
নারীদের মধ্যে হতে যাকে তোমাদের ভাল লাগে; দুই, বা তিন,
কিংবা চারটি; আর যদি এরূপ আশঙ্কা কর যে, তাদের
মধ্যে সমান আচরণ বজায় রাখতে পারবে না, তবে একটি;
অথবা তোমাদের অধিকারভুক্ত দাসীদেরকে, এতেই
পক্ষপাতিত্বে জড়িত না হওয়ার অধিকতর সম্ভাবনা। আন-
নিসা, ৪/৩
>>> পরিবারের দায়িত্ব পালন করা <<<
ﻳَﺎ ﺃَﻳُّﻬَﺎ ﺍﻟَّﺬِﻳﻦَ ﺁﻣَﻨُﻮﺍ ﻗُﻮﺍ ﺃَﻧْﻔُﺴَﻜُﻢْ ﻭَﺃَﻫْﻠِﻴﻜُﻢْ ﻧَﺎﺭًﺍ ﻭَﻗُﻮﺩُﻫَﺎ ﺍﻟﻨَّﺎﺱُ
ﻭَﺍﻟْﺤِﺠَﺎﺭَﺓُ
হে মমিনগন তোমরা নিজেদেরকে এবং
তোমাদের পরিবার-
পরিজনকে সেই অগ্নি থেকে রক্ষা কর, যার জ্বালানি হবে মানুষ
ও পাথর। আত-তাহরীম, ৬৬/৬
ﻗُﻞْ ﺇِﻥَّ ﺍﻟْﺨَﺎﺳِﺮِﻳﻦَ ﺍﻟَّﺬِﻳﻦَ ﺧَﺴِﺮُﻭﺍ ﺃَﻧْﻔُﺴَﻬُﻢْ ﻭَﺃَﻫْﻠِﻴﻬِﻢْ ﻳَﻮْﻡَ ﺍﻟْﻘِﻴَﺎﻣَﺔِ ﺃَﻻ
ﺫَﻟِﻚَ ﻫُﻮَ ﺍﻟْﺨُﺴْﺮَﺍﻥُ ﺍﻟْﻤُﺒِﻴﻦُ
তুমি বল, নিশ্চয় তারাই হবে ক্ষতিগ্রস্ত, যারা কেয়ামতের দিন
নিজেদেরকে ও তাদের পরিবারকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে;
জেনে রাখ এটা হল সুস্পষ্ট ক্ষতি। আয-যুমার, ৩৯/১৫
>>> সন্তান হত্যা মহাপাপ <<<
ﻭَﻻ ﺗَﻘْﺘُﻠُﻮﺍ ﺃَﻭْﻻﺩَﻛُﻢْ ﺧَﺸْﻴَﺔَ ﺇِﻣْﻼﻕٍ ﻧَﺤْﻦُ ﻧَﺮْﺯُﻗُﻬُﻢْ ﻭَﺇِﻳَّﺎﻛُﻢْ ﺇِﻥَّ ﻗَﺘْﻠَﻬُﻢْ
ﻛَﺎﻥَ ﺧِﻄْﺌًﺎ ﻛَﺒِﻴﺮًﺍ
তোমরা তোমাদের সন্তানদেরকে হত্যা করো না দারিদ্রের ভয়ে,
আমিই তাদেরকে এবং তোমাদেরকে আহার দিয়ে থাকি, নিশ্চয়
তাদেরকে হত্যা করা মহাপাপ। আল-ইস্রা, ১৭/৩১
ﻭَﺇِﺫَﺍ ﺍﻟْﻤَﻮْﺀُﻭﺩَﺓُ ﺳُﺌِﻠَﺖْ ﺑِﺄَﻱِّ ﺫَﻧْﺐٍ ﻗُﺘِﻠَﺖْ
আর যখন জীবন্ত প্রোথিত কন্যাকে জিজ্ঞেস করা হবে,
কি অপরাধে তাকে হত্য করা হয়েছে? আত-তাবীর, ৮১/৮-৯
>>> নেককার সঙ্গী ও সন্তানের জন্যে দো‘আ <<<
ﺭَﺑَّﻨَﺎ ﻫَﺐْ ﻟَﻨَﺎ ﻣِﻦْ ﺃَﺯْﻭَﺍﺟِﻨَﺎ ﻭَﺫُﺭِّﻳَّﺎﺗِﻦَﺍ ﻗُﺮَّﺓَ ﺃَﻋْﻴُﻦٍ ﻭَﺍﺟْﻌَﻠْﻨَﺎ ﻟِﻠْﻤُﺘَّﻘِﻴﻦَ ﺇِﻣَﺎﻣًﺎ
রাব্বানা- হাব্লানা- মিন্ আয্ওয়া-যিনা- ওয়া যুর্রিইয়া-তিনা-
ক্বুর্রাতা আ‘ইউনিও ওয়াজ্'আল্না- লিল্মুত্তাক্বি-না ইমা-মা-
হে আমাদের রব! আমাদের জন্যে আমাদের সঙ্গীদেরকে ও
আমাদের বংশধরদেরকে চক্ষুসমূহের শীতলতা দান করুন,
এবং আমাদেরকে মুত্তাকীদের জন্যে নেতা বানিয়ে দিন। আল-
ফুরক্বান, ২৫/৭৪
>>> রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন <<<
১। কিয়ামতের আগে আগে অবৈধ যৌনকর্ম্ ব্যাপকতা লাভ
করবে। সহীহুল বুখারী
২। কেউ যখন অবৈধ যৌনকর্ম করে তখন তার ঈমান চলে যায়।
আবূ দাউদ
৩। আমার উম্মতের কিছু লোক অবৈধ যৌনচার, রেশম, মদ
এবং গান-বাজনাকে হালাল মনে করবে। সহীহুল বুখারী
৪। কিয়ামতের আলামত সমূহের মধ্যে কিছু আলামত
হলঃ অজ্ঞতা বৃদ্ধি পাবে, ওহীর জ্ঞান লোপ পাবে, অবৈধ
যৌনকর্ম্ ব্যাপকতা লাভ করবে, যত্রতত্র মদপান করা হবে।
সহীহুল বুখারী
৫। আদম সন্তানের জন্য তার প্রত্যেক অঙ্গের যেনা নির্দিষ্ট
আছে, যা সে অবশ্য্ই পাবে।
কামভাবে দেখা বা কুদৃষ্টিতে দেখা চোখের যেনা। কামসুচক
কথাবার্তা শোনা কানের যেনা। কামসুচক
কথাবার্তা বলা জিহবার যেনা। হাত দিয়ে ধরা হাতের যেনা। এ
জন্য হেঁটে যাওয়া পায়ের যেনা। এ
সম্পর্কে কামনা বাসনা পোষন করা অন্তরের যেনা। এরপর
লজ্জাস্থান হয় ব্যভিচার কাজটা সম্পন্ন করে অথবা বিরত
থাকে। (সহীহুল বুখারী, সহীহ মুসসিম, আবূ দাউদ, সুনানু নাসাঈ)
৬। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম
বলেছেনঃ আমি স্বপনে একটি চুলা দেখতে পেলাম যা উপরের
অংশ ছিল চাপা, আর নিচের অংশ ছিল প্রশস্ত, আর
সেখানে আগুন উত্তপ্ত হচ্ছিল,
ভিতরে নারী পুরুষরা চিল্লাচিল্লি করছিল, আগুনের
শিখা উপরে আসলে তারা উপরে উঠছে, আবার আগুন স্তিমিত
হলে তারা নিচে যাচ্ছিল, সর্ব্দা তাদের এ অবস্থা চলছিল,
আমি জিব্রীল আলাইহিস সালাম কে জিজ্ঞেস
করলামঃ এরা কারা? জিব্রীল আলাইহিস সালাম
বললঃ তারা হল, অবৈধ যৌনচারকারী নারী পুরুষ। সহীহুল বুখারী
৭। হে যুবকেরা! তোমাদের মধ্যে যারা বিবাহের দায়িত্ব পালন
করার যোগ্যতা রাখে, তাদের উচিত বিবাহ করা। কেননা বিবাহ
দৃষ্টিকে সংযত রাখে এবং লজ্জাস্থানের হেফাযত রাখে। আর
যে বিবাহের দায়িত্ব পালন করার যোগ্যতা রাখে না, তার উচিত
সিয়াম পালন করা। (সহীহুল বুখারী ও সহীহ মুসসিম)
৮। চারটি জিনিসের ভিক্তিতে মেয়েদের বিয়ে হয়ে থাকে। তার
সম্পদের জন্যে, বংশ মর্যাদার জন্যে, রূপের জন্যে ও
দ্বীনদারীর জন্যে। তাই তোমরা দ্বীনদার
নারী বিয়ে করো তাহলে তোমাদের কল্যাণ হবে। (সহীহুল
বুখারী ও সহীহ মুসসিম)
৯। যে ব্যক্তি স্বীয় জিহবা এবং লজ্জাস্থানের জামিন
হবে আমি তার জান্নাতের জন্যে জামিন হবো। সহীহুল বুখারী:
৬৪৭৪
 কুরআন ও সহীহ হাদীসের আলোকে যৌনকর্ম
কুরআন ও সহীহ হাদীসের আলোকে যৌনকর্ম

Price : *Happy Shopping
Order via whatsapp Order via Email

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

আজকের আইডিয়ার নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url
Content copy is disabled! Default text copied.